• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • যৌবনের গান [গদ্য]
যৌবনের গান [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

যৌবনের গান - কাজী নজরুল ইসলাম

আমার বলিতে দ্বিধা নাই যে, আমি আজ তাঁহাদেরই দলে, যাঁহারা কর্মী নন-ধ্যানী। যাঁহারা মানব জাতির কল্যাণ সাধন করেন সেবা দিয়া, কর্ম দিয়া, তাঁহারা মহৎ যদি না-ই হন, অন্তত ক্ষুদ্র নন। ইহারা থাকেন শক্তির পেছনে রুধির ধারার মতো গোপন, ফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অলক্ষ্যে।

আমি কবি- বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই, ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই। বায়স-ফিঙে যখন বেচারা গানের পাখিকে তাড়া করে, তীক্ষ্ণ চক্ষু দ্বারা আঘাত করে, তখনও সে এক গাছ হইতে উড়িয়া আন গাছে গিয়া গান ধরে। তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান। সে গান করে আপন মনের আনন্দে- যদি তাহাতে কাহারও অলসতন্দ্রা, মোহনিদ্রা টুটিয়া যায়, তাহা একান্ত দৈব। যৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাই। কাজেই আমি যে গান গাই, তাহা যৌবনের গান। তারুণ্যের ভরা-ভাদরে যদি আমার গান জোয়ার আনিয়া থাকে, তাহা আমার অগোচরে; যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না-ওয়াকিফ।

আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে-সংগীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান। তারুণ্যকে, যৌবনকে, আমি যেদিন হইতে গান গাহিতে শিখিয়াছি সেদিন হইতে বারে বারে সালাম করিয়াছি, সশ্রদ্ধ নমস্কার নিবেদন করিয়াছি, জবাকুসুমসঙ্কাশ তরুণ অরুণকে দেখিয়া প্রথম মানব যেমন করিয়া সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছিলেন, আমার প্রথম জাগরণ-প্রভাতে তেমন সশ্রদ্ধ বিস্ময় লইয়া যৌবনকে অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করিয়াছি, তাহার স্তবগান গাহিয়াছি। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।

আমি যৌবনের পূজারী কবি বলিয়াই যদি আমায় আপনারা আপনাদের মালার মধ্যমণি করিয়া থাকেন, তাহা হইলে আমার অভিযোগ করিবার কিছুই নাই। আপনাদের মহাদান আমি সানন্দে শির নত করিয়া গ্রহণ করিলাম। আপনাদের দলপতি হইয়া নয়, আপনাদের দলভুক্ত হইয়া, সহযাত্রী হইয়া। আমাদের দলে কেহ দলপতি নাই, আজ আমরা শত দিক হইতে শত শত তরুণ মিলিয়া তারুণ্যের শতদল ফুটাইয়া তুলিয়াছি। আমরা সকলে মিলিয়া এক সিদ্ধি, এক ধ্যানের মৃণাল ধরিয়া বিকশিত হইতে চাই।

বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে; বৃদ্ধ তাহারাই-যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয় যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দ ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না; যাহারা জীব হইয়াও জড়; যাহারা অটল সংস্কারের পাষাণস্তূপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে। বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা নব অরুণোদয় দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের ভয়ে দ্বার রুদ্ধ করিয়া পড়িয়া থাকে। আলোক-পিয়াসী প্রাণচঞ্চল শিশুদের কল-কোলাহলে যাহারা বিরক্ত হইয়া অভিসম্পাত করিতে থকে, জীর্ণ পুঁথি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে যাহারা আজ কঙ্কালসার- বৃদ্ধ তাহারাই। ইহাদের ধর্মই বার্ধক্য। বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি। আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি- যাঁহাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে মেঘলুপ্ত সূর্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন। তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই- যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তারুণ্য দেখিয়াছি আরবের বেদুইনদের মাঝে, তারুণ্য দেখিয়াছি মহাসমরের সৈনিকের মুখে, কালাপাহাড়ের অসিতে, কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানইয়াৎ-লেনিনের শক্তিতে। যৌবন দেখিয়াছি তাহাদের মাঝে- যাহারা বৈমানিকরূপে অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজিতে গিয়া প্রাণ হারায়, আবিষ্কারকরূপে নব-পৃথিবীর সন্ধানে গিয়া আর ফিরে না, গৌরীশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষদেশ অধিকার করিতে গিয়া যাহারা তুষার-ঢাকা পড়ে, অতল সমুদ্রের নীল মঞ্জুষার মণি আহরণ করিতে গিয়া সলিলসমাধি লাভ করে, মঙ্গলগ্রহে, চন্দ্রলোকে যাইবার পথ আবিষ্কার করিতে গিয়া নিরুদ্দেশ হইয়া যায়। পবন-গতিকে পশ্চাতে ফেলিয়া যাহারা উড়িয়া যাইতে চায়, নব নব গ্রহ-নক্ষত্রের সন্ধান করিতে করিতে যাহাদের নয়ন-মণি নিভিয়া যায়- যৌবন দেখিয়াছি সেই দুরন্তদের মাঝে। যৌবনের মাতৃরূপ দেখিয়াছি- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে, গোরস্থানে, অনাহারে থাকিয়া যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ-বন্যা-পীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যাপার্শ্বে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে, যখন সে পথে পথে গান গাহিয়া ভিখারি সাজিয়া দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য ভিক্ষা করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হইয়া দাঁড়ায়, হতাশের বুকে আশা জাগায়।

ইহাই যৌবন, এই ধর্ম যাহাদের তাহারাই তরুণ। তাহাদের দেশ নাই, জাতি নাই, অন্য ধর্ম নাই। দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে ইহাদের সেনানিবাস। আজ আমরা মুসলিম তরুণেরা- যেন অকুণ্ঠিত চিত্তে মুক্তকণ্ঠে বলিতে পারি- ধর্ম আমাদের ইসলাম, কিন্তু প্রাণের ধর্ম আমাদের তারুণ্য, যৌবন। আমরা সকল দেশের, সকল জাতির, সকল ধর্মের, সকল কালের। আমরা মুরিদ যৌবনের। এই জাতি-ধর্ম-কালকে অতিক্রম করিতে পারিয়াছে যাঁহাদের যৌবন, তাঁহারাই আজ মহামানব, মহাত্মা, মহাবীর। তাহাদিগকে সকল দেশের সকল ধর্মের সকল লোক সমান শ্রদ্ধা করে।

পথ-পার্শ্বের ধর্ম-অট্টালিকা আজ পড় পড় হইয়াছে, তাহাকে ভাঙিয়া ফেলিয়া দেওয়াই আমাদের ধর্ম, ঐ জীর্ণ অট্টালিকা চাপা পড়িয়া বহু মানবের মৃত্যুর কারণ হইতে পারে। যে-ঘর আমাদের আশ্রয় দান করিয়াছে, তাহা যদি সংস্কারাতীত হইয়া আমাদেরই মাথায় পড়িবার উপক্রম করে, তাহাকে ভাঙিয়া নূতন করিয়া গড়িবার দুঃসাহস আছে একা তরুণেরই। খোদার দেওয়া এই পৃথিবীর নিয়ামত হইতে যে নিজেকে বঞ্চিত রাখিল, সে যত মোনাজাতই করুক, খোদা তাহা কবুল করিবেন না। খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য, ভিখারির মতো হাত তুলিয়া ভিক্ষা করিবার জন্য নয়। আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব। ইহাই হউক তরুণের সাধনা।

যৌবনের গান [গদ্য] - অনন্যা প্রশ্ন

কাজী নজরুল ইসলামযৌবনের গান - কাজী নজরুল ইসলামযৌবনের গান (শব্দার্থ ও টীকা)যৌবনের গান (পাঠ-পরিচিতি)যৌবনের গান (বহুনির্বাচনি প্রশ্ন) যৌবনের গান (সৃজনশীল প্রশ্ন)আমি আজ তাঁহাদেরই দলে, যাঁহারা কর্মী নন ধ্যানীকবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতোআমাদের দলে কেহ দলপতি নাইযে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্দ্বে আজও না-ওয়াকিফইহাই হউক তরুণের সাধনাযৌবনের সীমা পরিক্রমণ আজও আমার শেষ হয় নাইবার্ধক্যকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় নাআমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইবখোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিল অর্জন করিয়া লইবার জন্য, ভিখারির মতো হাত তুলিয়া ভিক্ষা করিবার জন্য নয়তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতাধর্ম আমাদের ইসলাম, কিন্তু প্রাণের ধর্ম আমাদের তারুণ্য, যৌবনআমরা মুরিদ যৌবনেরতরুণ নামের জয় শুধু মুকুট তাহারই- যাহার শক্তি অপরিমাণতাহাদের দেশ নাই, জাতি নাই, অন্য ধর্ম নাইযৌবন-সূর্য যথায় অন্তমিত, দুঃখের তিমির-কুত্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমিরঙের খেলা খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অস্তআমরা সকলে মিলিয়া এক সিন্ধি, এক ধ্যানের মৃণাল ধরিয়া বিকশিত হইতে চাইফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অলক্ষ্যেআমার প্রথম জাগরণ প্রভাতেকাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?কাজী নজরুল ইসলাম কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?ছেলেবেলায় নজরুল কোন গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন?কাজী নজরুল ইসলাম কোন স্কুলে লেখাপড়া করেন?কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিতে কোথায় যান?কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যজীবনের সূচনা ঘটে কোথায়?কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে বাশক্তি হারিয়ে ফেলেন?কাজী নজরুল ইসলামকে কখন ঢাকায় নিয়ে আসা হয়?কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'ছায়ানট' কী ধরনের রচনা?'রুদ্র-মঙ্গল' নজরুলের কী জাতীয় রচনা?কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?কাজী নজরুলকে কোন মর্যাদায় সমাহিত করা হয়?কাজী নজরুলকে কোথায় সমাহিত করা হয়?কবি নিজেকে কাদের দলে বলতে দ্বিধা করেন না?ফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অবস্থান কাদের?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কর্মী বলা হয়েছে কাদের?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কবি নিজেকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে প্রবন্ধকারের কার মতো গান করার স্বভাব?বনের পাখির মতো গান করা কার স্বভাব?গানের পাখিকে তাড়া করে কে?হাসি ও কান্নায় গান করে কে?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে প্রবন্ধকারের কী পরিক্রমণ শেষ হয়নি?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কীসের গান গান?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখকের গান কোথায় জোয়ার আনে?প্রাবন্ধিক কোন দলে?কাদের বাণী বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায় আসে?কবিদের বাণী কীসের মতো বয়?লেখক কাদের বহু পশ্চাতে?লেখকের একমাত্র সম্বল কী?লেখক কাকে বারবার সালাম করেছেন?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাকে আলোর দেবতা বলা হয়েছে?লেখক নিজেকে কীসের কবি বলে অভিহিত করেছেন?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখককে কী করে রাখলে অভিযোগ করার কিছু থাকবে না?শত শত তরুণ মিলে কী ফুটিয়ে তুলেছে?অতিজ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে কারা কঙ্কালসার?বার্ধক্যকে সবসময় কীসে বাঁধা যায় না?বহু যুবকের যৌবনের উর্দির নিচে কী রয়েছে?বহু বৃদ্ধের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে কীসের মতো প্রদীপ্ত যৌবন রয়েছে?প্রাবন্ধিক আরব বেদুইনদের মাঝে কী প্রত্যক্ষ করেছেন?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক মহাসমরের সৈনিকের মুখে কী দেখেছেন?নজরুল কার অসিতে তারুণ্য দেখেছেন?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কাদের মাঝে যৌবনের মাতৃরূপ দেখেছেন?কোমল সেবাপরায়ণ দিককে যৌবনের কোন রূপ বলা হয়েছে?কাদের দেশ, জাতি, অন্য ধর্ম নেই?যৌবন ও তারুণ্যের সেনানিবাস কোথায়?প্রাণের ধর্ম আমাদের কী?'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক কার মুরিদ? পথ-পার্শ্বে কী পড় পড় হয়েছে?কী ভেঙে ফেলাই আমদের ধর্ম?কী চাপা পড়ে অনেক মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে?'যৌবনের গান' প্রবন্ধ অনুসারে খোদা হাত দিয়েছেন কেন?তরুণের সাধনা কী হবে?'ফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অলক্ষ্যে।'- উক্তিটির মাধ্যমে প্রাবন্ধিক কী বোঝাতে চেয়েছেন?কালাপাহাড় চরিত্রে যৌবনের কোন রূপটি ধরা পড়েছে। ব্যাখ্যা করো।'আমাদের দলে কেহ দলপতি নাই।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।বার্ধক্য বলতে প্রাবন্ধিক কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।যৌবনের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।'যৌবন-সূর্য যথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।'- ব্যাখ্যা করো।'রঙের খেলা খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত।'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।'আমরা সকলে মিলিয়া এক সিন্ধি, এক ধ্যানের মৃণাল ধরিয়া বিকশিত হইতে চাই।'- কথাটির মাধ্যমে প্রাবন্ধিক কী বোঝাতে চেয়েছেন?'আমার প্রথম জাগরণ প্রভাতে' বলতে প্রাবন্ধিক কী বুঝিয়েছেন?লেনিনের মাঝে প্রাবন্ধিক যৌবনের কোন বৈশিষ্ট্য দেখতে পান? ব্যাখ্যা করো।'তাহাদের দেশ নাই, জাতি নাই, অন্য ধর্ম নাই।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ