• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের নদ-নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদ
বাংলাদেশের নদ-নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাংলাদেশের নদ-নদী ও পানিসম্পদ

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হচ্ছে- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলী, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু প্রভৃতি। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে চিরচেনা ও পরিচিত বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল হিমালয়, তিব্বত, আসামের বরাক এবং লুসাই পাহাড়ে। এগুলো শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।

পদ্মা পদ্মা নদী ভারত ও ভারতের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন ৩৪,১৮৮ বর্গ কি.মি.। পশ্চিম থেকে পূর্বে নিম্নগঙ্গায় অসংখ্য শাখা নদীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি।

ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা: তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত। যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী-বুড়িগঙ্গা। ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি.। এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি. যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।

মেঘনা আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মনু, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলি মাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

কর্ণফুলী: বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াং। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।

তিস্তা নদী: সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে। গতিপথ পরিবর্তনের পূর্বে এটি গঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছিল। তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি ঐ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও নানা কারণে এর পূর্ণ উপযোগিতা বাংলাদেশ এখনো পায়নি।

পশুর নদী: খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী। এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্রবন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সাঙ্গু-ফেনী, নাফ, মাতামুহুরী সাঙ্গু নদী উত্তর আরাকান পাহাড় থেকে নির্গত হয়ে বান্দরবান জেলার থানছি উপজেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এটি ২৯৪ কি.মি. দীর্ঘ। পার্বত্য ত্রিপুরায় উৎপত্তি হয়ে ফেনী জেলায় প্রবেশ করেছে ফেনী নদী। সন্দ্বীপের উত্তরে ফেনী নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশ মিয়ানমারের সীমান্তে নাফ নদী অবস্থিত। এর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত। এই নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কি. মি। অন্যদিকে লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে। নদীটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়ার পশ্চিম পাশ ঘেঁষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কি.মি.।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর উল্লিখিত নদীসমূহের প্রভাব অপরিসীম। সেচের পানি, শিল্পে ব্যবহৃত পানি ও জল বিদ্যুৎ শক্তির উৎস এসব নদী। তাছাড়া মাছের উৎসও হচ্ছে নদী। নদী আমাদের পরিবহন ও যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান মাধ্যম। জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিতে এসব নদী পলি বহন করে আনে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্য, পরিবহন ইত্যাদি বহুলাংশে নদীর ওপর নির্ভরশীল বলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। নদীর প্রবাহে বাধা, নদীতে শিল্প ও জলযানের বর্জ্য ফেলা, পয়ঃনিষ্কাশন প্রবাহ যুক্ত করা, নদী দখল প্রভৃতি কারণে আমাদের দেশের অনেক নদীর প্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়ছে। নদীর পানি দূষিত হচ্ছে এবং নদীর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। এসব নদী সংরক্ষণে আমাদের সকলকেই অধিক সচেতন হতে হবে।

পূর্ববর্তী

বাংলাদেশের নদ-নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদ - অনন্যা প্রশ্ন

বাংলাদেশের নদ-নদী ও পানিসম্পদনদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্কবাংলাদেশে অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণ, প্রভাব ও সমাধানের পদক্ষেপযাতায়াত, জলবিদ্যুৎ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকাবাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদপানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারণা বাংলাদেশের পানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব ও জনসম্পৃক্ততাবাংলাদেশের বনভূমির শ্রেণিবিভাগবাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্বসৌরসম্পদ কাকে বলে?জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা কী?নদী সংরক্ষণ ধারণা তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান নদীর নাম লেখ।পদ্মা নদী কীভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?পদ্মা নদীর গতিপথ সংক্ষেপে লেখ।পদ্মার কয়েকটি শাখা নদীর নাম লেখ।ব্রহ্মপুত্র নদ সম্পর্কে কী জান? লেখ।কীভাবে যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়েছে?মেঘনা নদীর নামকরণ সম্পর্কে কী জান?কর্ণফুলী নদীর গুরুত্ব সংক্ষেপে লেখ।উপনদী ও শাখা নদীর মধ্যে পার্থক্য লেখ।তিস্তা নদীর উৎপত্তি কোথায়?উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীর ভূমিকা সংক্ষেপে লেখ।পশুর নদী কীভাবে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে?পশুর নদীর গুরুত্ব লেখ।সাঙ্গু নদী সম্পর্কে কী জান সংক্ষেপে লেখ।মাতামুহুরী নদী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।বাংলাদেশে অর্থনীতিতে নদী গুরুত্বপূর্ণ কেন?সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদীর ভূমিকা কেমন?বাংলাদেশের শহরগুলো অধিকাংশই নদীতীরে গড়ে ওঠে কেন?পরিবেশবাদীরা নদী বাঁচাও কর্মসূচি পালন করছে কেন?বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ কমে গেছে কেন?বাংলাদেশের নদীগুলো নাব্যতা হারাচ্ছে কেন?ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।নদীতীরের মানুষ অন্যত্র চলে যাচ্ছে কেন?নদী প্রবাহ মানুষ ও গাছের অস্তিত্ব বিপন্ন করে কীভাবে?বাংলাদেশে পানি সংকটের কারণগুলো লেখ।নদী বাঁচাতে কী কী উদ্যোগ নিতে হবে?'নদী বাঁচাও' কর্মসূচি পালন করা হয় কেন?যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা কীরূপ?জলবিদ্যুৎ বলতে কী বোঝায়?জলবিদ্যুৎ কীভাবে উৎপাদিত হয়? ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কেন?নদীপথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থা সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।প্রাকৃতিক সম্পদ কী? সংক্ষেপে লেখ।কৃষিপণ্য উৎপাদনে মাটির ভূমিকা লেখ।বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ সম্পর্কে লেখ।বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ সম্পর্কে লেখ।দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তাপমাত্রা নিম্ন পর্যায়ে আসে না কেন?পানি ব্যবস্থাপনা কী? সংক্ষেপে লেখ।পানি ব্যবস্থাপনার ২টি উদ্যোগ লেখ।পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন কেন?পানি ব্যবস্থাপনায় রিজার্ভার খননের গুরুত্ব লেখ।মাছ ও কৃষি উৎপাদনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এমন একটি কারণ লেখ।আমাদের 'জাতীয় পানি নীতি' প্রয়োজন কেন?বনভূমি কী?বাংলাদেশে বনভূমি কমে যাচ্ছে কেন?জলবায়ু ও মাটির ভিন্নতা অনুসারে বাংলাদেসোর বন এলাকাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি কী?ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমিকে চিরসবুজ বনভূমি বলা হয় কেন?ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি সম্পর্কে লেখ।গরান বনভূমি বলতে কী বোঝায়?স্রোতজ বনভূমি বলতে কী বোঝ?বাংলাদেশ কীভাবে ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারে?প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?পরিবেশ রক্ষায় বনভূমির গুরুত্ব বর্ণনা কর।তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য কত?নাফ নদীর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি কোথা থেকে?কর্ণফুলি নদীর দৈর্ঘ্য কত?'ধলেশ্বরী' কোন নদীর শাখানদী?বাংলাদেশের পদ্মা নদী ভারতে' কী নামে পরিচিত? তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর সীমান্তে কোন নদী অবস্থিত?বাংলাদেশের প্রধান নদী কী কী? তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি কত সালে নির্মিত হয়।বাংলাদেশে নদনদীর সংখ্যা কত?বাংলাদেশের বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?বাংলাদেশের নদনদীগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় মিলিত হয়েছে?পদ্মানদীর উৎপল্লিস্থল কোথায়?কোন দিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?সুরমা ও কুশিয়ারার উৎপত্তি কোথায়?বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীর নাম কী?কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?সাঙ্গু নদী কোথায় পতিত হয়েছে?নাফ নদী কোথায় অবস্থিত?প্রাচীন যুগে মানুষ কোথায় বসবাস শুরু করে?বাংলাদেশের নদীসমূহে পানি কোথা হতে আসে?বাংলাদেশের কত কিলোমিটারে সবসময় নৌ চলাচল করে?নদী রক্ষার্থে পরিবেশবাদীরা কোন কর্মসূচি পালন করছে?বর্তমান বাংলাদেশে কী পরিমাণ জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে?তিস্তা বাঁধ থেকে কোন অঞ্চলের মানুষ সুবিধা ভোগ করছে?বাংলাদেশের নদীসমূহে কোথা থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি আসে?বাংলাদেশের নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ার কারণ কী?বাংলাদেশের নদী পথের দৈর্ঘ্য কত?জলবিদ্যুৎ কাকে বলে?কোন নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে?প্রাকৃতিক সম্পদ কী?বাংলাদেশের কোয়ায় চা উৎপাদন হচ্ছে?দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশগুলো বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান?বাংলাদেশে কিসের উৎপাদন ব্যাপক হয়?ভারত ও মিয়ানমারে কিসের উৎপাদন ভালো হয়?কোথায় মাছের ভান্ডার রয়েছে?প্রতিবেশী কোন কোন রাষ্ট্রে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়?বঙ্গোপসাগরের তলদেশে কী আবিষ্কৃত হয়েছে?খনিজ সম্পদে দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ বেশি সমৃদ্ধ?দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ খনিজ সম্পদে পিছিয়ে আছে?পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কী? জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য কার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ?জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ কী ধরনের দেশ?স্রোতজ বা গরান বনভূমি কাকে বলে?বনভূমি কাকে বলে?সিলেট অঞ্চলের বনভূমি কোন ধরনের?বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ কত শতাংশ?গরান বনভূমির আয়তন কত?বাংলাদেশের বন এলাকাকে মোটামুটি কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?ব্রহ্মপুত্র নদ হতে একটি স্রোতধারা সৃষ্টি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে পদ্মা নদীর গতিপ্রথ বর্ণনা কর। বাংলাদেশের যেকোনো একটি নদীর গতিপথ ব্যাখ্যা কর।মেঘনা নদীর বর্ণনা দাও।নদ-নদীর উপর জনবসতির নির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।'বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ'- ব্যাখ্যা কর। নদনদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।নদী একটি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?পরিবেশবাদীরা নদী বাঁচাও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি কেন পালন করছে। ব্যাখ্যা কর।"অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম ব্যাখ্যা কর।'নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে পানির সংকট দূর করা যায়'- কথাটি বুঝিয়ে লেখ।নদী প্রবাহ হারালে কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়? ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ওপর নদীসমূহের দুটি প্রভাব- ব্যাখ্যা কর।পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারের বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ কম উৎপন্ন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীর ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।দক্ষিণ এশিয়ার খনিজ সম্পদের বর্ণনা দাও।দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিজ সম্পদের বর্ণনা দাও।দক্ষিণ এশিয়ার বনজ সম্পদের বর্ণনা দাও।দক্ষিণ এশিয়ার মৎস্য সম্পদের বিবরণ দাও।পানিকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে কী বোঝায়?স্রোতজ বনভূমি বলতে কী বোঝায়?ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।চিরহরিৎ বনভূমির ব্যাখ্যা দাও।'জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ'-বুঝিয়ে লেখ।গরান বন অন্যান্য বনাঞ্চলের চেয়ে কীভাবে আলাদা?"বাংলাদেশের বনভূমি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে"- ব্যাখ্যা কর। 'অধিক জনসংখ্যা আমাদের বনের জন্য হুমকিস্বরূপ'- ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা অধিক মাত্রায় প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল কেন?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ