- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- ষষ্ঠ শ্রেণি
- ঈশ্বরকে জানা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
ঈশ্বরকে জানার উপায়সমূহ
যারা এখনো খ্রীষ্টবিশ্বাসী হয়নি, তাদের সম্বন্ধে সাধু পল বলেছেন, ঈশ্বরের বিষয়ে যা জানা যেতে পারে, তা তাদের সামনেই আছে। ঈশ্বর নিজেই তাদের কাছে তা প্রকাশ করেছেন। তাঁর গুণ অদৃশ্য। তাঁর শক্তি চিরস্থায়ী। তাঁর আদি বা অন্ত নেই। তিনি সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রক্ষাকর্তা। জগতে তাঁর নানাবিধ সৃষ্টিকর্মের মধ্যে তিনি নিজেকে প্রকাশ করেছেন।
ক) সৃষ্ট জীবজন্তু ও বস্তুর মধ্য দিয়ে ঈশ্বরকে জানা: ঈশ্বর সকল সৃষ্টির উৎস। বিশ্বকে তিনি গতি দিয়েছেন। সেই গতি অনুসারে সারা বিশ্ব চলছে। বিশ্বপ্রকৃতির মধ্যে তিনি দিয়েছেন নিয়ম-শৃঙ্খলা। সবকিছু সেই নিয়ম অনুসারে চলছে। বিশ্বকে তিনি অত্যন্ত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। এ সবই তাঁর নিপুণ হাতের রচনা। এই বিশ্বের সকল সৃষ্টির অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সৌন্দর্যকে আমরা জানতে পারি। এত সুন্দর করে যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, তিনিই সবচেয়ে বেশি সুন্দর। তিনি সবচেয়ে সুন্দর বলেই সব সৌন্দর্যের উৎসও তিনি।
খ) ব্যক্তিমানুষের মাধ্যমে ঈশ্বরকে জানা জীবজন্তু ও সকল বস্তুর ন্যায় মানুষও ঈশ্বরের নিপুণ হাতের সৃষ্টি। ঈশ্বর তাঁর প্রতিমূর্তিতে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। প্রথমে তিনি আদমকে সৃষ্টি করেছেন। এরপর আদমের পাঁজর থেকে হাড় নিয়ে তিনি হবাকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁরাই হলেন প্রথম মানব। মানুষের উৎস বা আদি হলেন ঈশ্বর। মানুষ ঈশ্বরের মতো ন্যায়বান, দয়ালু, সত্য, সুন্দর, পবিত্র, সৃজনশীল, সহানুভূতিশীল ইত্যাদি গুণ লাভ করবে, এটা ঈশ্বরের ইচ্ছা। কারণ তাকে তো ঈশ্বর নিজের মতো করে সৃষ্টি করেছেন। আমরা আমাদের ইচ্ছাশক্তি, জ্ঞান, বিবেক, নৈতিকতা এবং অপরের মঙ্গল করার ইচ্ছা দিয়ে ঈশ্বরকে আরও গভীরভাবে জানতে পারি। এভাবে আমরা দিনে দিনে তাঁর মতো হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারি।
সবকিছুর শুরু ও শেষ ঈশ্বরেরই হাতে। এসবের মধ্যে আর কারও হাত নেই। আমরা যেন তাঁকে জানতে পারি, সেজন্য তিনিই আমাদের কাছে আসেন। তিনিই নিজেকে বিভিন্নভাবে মানুষের কাছে প্রকাশ করেন, যেন মানুষ তাকে জানতে, মানতে ও ভালোবাসতে পারে। অবশেষে মানুষ যেন তাঁর সাথে চিরকাল সুখে বাস করতে পারে।
ঈশ্বরকে জানা - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

