- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ঋতু বর্ণন [কবিতা]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
'নানা পুষ্প মালা গলে বড় হরষিত'- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
'নানা পুষ্প মালা গলে বড় হরষিত' বলতে বসন্ত ঋতুতে নিজেকে সাজিয়ে আনন্দিত হওয়ার দিককে বোঝানো হয়েছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বসন্ত প্রকৃতির নতুন সাজে সেজে ওঠার কথা বলা হয়েছে। বসন্তে নানা রকম ফুল ফোটে। প্রকৃতি তখন রঙিন রূপ ধারণ করে। বসন্তকে বরণ করতে এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদের সংযুক্ত করতে সবাই নানা রকম সাজে নিজেকে সজ্জিত করে। ফুলের মালা গলায় পরে তারা আনন্দ, উল্লাস করে। এ দিক বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা কবি বসন্তের সময়ে ফুলের মালা গলায় পরে আনন্দিত হওয়া এবং নিজেকে সজ্জিত করার দিকটি বুঝিয়েছেন।
উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে 'ঝতু বর্ণন' কবিতায় বর্ণিত শীত ঋতুর সাদৃশ্য রয়েছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর রূপবৈচিত্র্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। ষড়ঋতুতে প্রকৃতি নানা রূপে সেজে ওঠে। কবিতায় অন্যান্য ঋতুর পাশাপাশি শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্যও রূপায়িত হয়েছে। শীতকালে সূর্য যেন লুকিয়ে থাকে। শীতের কুয়াশায় বা মেঘে সূর্য ঢাকা পড়ে থাকে। রাতের বেলা সুখী দম্পতির চিত্তসুখের বর্ণনা, শীতের দীর্ঘ রজনী ইত্যাদির কথা বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে শীতের আগমনে গাছে ফুল-পাতার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়। এ সময় প্রকৃতি যেন মৃতপ্রায়। কুয়াশার সাদা বাম্পজালে প্রকৃতি আবদ্ধ থাকে। এই ঋতুতে সূর্য দ্রুত অস্ত গিয়ে রাতকে দীর্ঘ করে। 'ঋতু বর্ণন' কবিতায়ও শীত ঋতুর এরূপ বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। ফলে উদ্দীপক ও 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় যে সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা হলো শীতের বর্ণনা।
উত্তরের সারবস্তু: শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য চিত্রণের দিক থেকে উদ্দীপক ও 'ঋতু বর্ণন' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
"উদ্দীপকের কবিতাংশে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার কিঞ্চিৎ ভাবগত মিল থাকলেও বৈসাদৃশ্যই বেশি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকের কবিতাংশে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য ব্যতীত অন্যান্য দিক অনুপস্থিত থাকা প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে বসন্তের পত্রপুষ্প, মলয় সমীর, ভ্রমর-গুঞ্জন ও কোকিলের কুহুতান, গ্রীষ্মের প্রচন্ড তপনের রৌদ্র ত্রাস ও ছায়ার গুরুত্ব, শরতের নির্মল আকাশ, শীতের দীর্ঘ রজনী ইত্যাদির প্রতিফলন ঘটেছে। এছাড়া মানব মনের ওপর প্রকৃতির প্রভাবও সুন্দরভাবে কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন কবি।
উদ্দীপকের কবিতাংশে শীত ঋতুর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। শীতের রিস্ত রূপের বর্ণনা করা হয়েছে কবিতাংশে। এ সময় প্রকৃতি যেন হয়ে পড়েছে মৃতপ্রায়। চারপাশ কুয়াশার চাদরে ঢাকা। দ্রুত সূর্য অস্ত গিয়ে নেমে আসে রাত। গাছে গাছে কোনো পাতা থাকে না। ফলে প্রকৃতির রিক্ত রূপ মূর্ত হয়েছে উদ্দীপকের কবিতাংশে। 'ঋতু বর্ণন' কবিতায়ও শীত ঋতুর এহেন বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতার সঙ্কো উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাবগত মিল থাকলেও বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান। কারণ উদ্দীপকের কবিতাংশে শীতের বর্ণনা দিলেও তা অনেকটাই নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। শীতে গাছে পাতা থাকে না। প্রকৃতি যেন মৃতপ্রায় হয়ে যায়। অন্যদিকে 'ঋড় বর্ণন' কবিতায় শীতের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সেটি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। সেখানে দীর্ঘ রজনিতে সুখী দম্পতির মধুর সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও কবিতায় শীত ছাড়াও অন্যান্য ঋতুরও বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, যা উদ্দীপকের কবিতায় অনুপস্থিত। তাই ভাবগত মিল থাকলেও বৈসাদৃশ্যই বেশি। এক্ষেত্রে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ বলেই প্রতীয়মান।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকের কবিতায় শীতের নেতিবাচক ভাব ফুটে ওঠে যেখানে 'ঋতু বর্ণন'-এ ইতিবাচক ভাব প্রস্ফুটিত হয়েছে। উদ্দীপকে শীতের বর্ণনা থাকলেও কবিতায় ষড়ঋতুর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

