• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ঋতু বর্ণন [কবিতা]
ঋতু বর্ণন [কবিতা]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রাশেদ শহরে থাকে। শহরে বড়ো বড়ো দালানকোঠার কারণে আকাশ দেখা যায় না। ছুটিতে গ্রামে গিয়ে এবার সে দেখে আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। মাঝেমধ্যে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে যাচ্ছে। রাশেদ অবাক হয়ে আকাশ দেখে। ভাবে' এত সুন্দর শূদ্র নীলাকাশ শহরে থাকলে দেখার সৌভাগ্য হতো না।

'শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ।'- ব্যাখ্যা করো।

শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ।'- চরণটি দ্বারা শীতকালে তাড়াতাড়ি সূর্যাস্ত এবং দিনের স্বল্প ব্যাপ্তির দিকটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

শীত ঋতুতে প্রচণ্ড ঠান্ডা যেন সূর্যের উপর ত্রাস সৃষ্টি করে। শীতের ভয়ে সূর্য দ্রুত অস্ত যায়। এ সময় রোদে তেমন তেজ থাকে না। শীতের কাছে পরাজয় স্বীকার করে সূর্য দিগন্তে লুকিয়ে যায়। এ বিষয়টি বোঝাতেই 'শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ'- চরণটির অবতারণা হয়েছে।

উত্তরের সারবস্তু: প্রশ্নোক্ত উক্তিতে শীতের সময়ে দিন ছোটো হয়ে যাওয়া এবং রাও বড়ো হওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

তাম্বুল কী?

তাম্বুল হলো পান; যা সুপারি, চুন প্রভৃতি সহযোগে খাওয়া হয়।

#

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার যে দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শরৎকালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্য এবং মানবমনে এর প্রভাব বর্ণনা করা হয়েছে। এই ষড়ঋতুর একটি হলো শরৎকাল। বর্ষার ঘন কালো মেঘ সরে গিয়ে শরতের আগমনে আকাশ হয়ে ওঠে নির্মল। আকাশে ভেসে বেড়ায় শুভ্র মেঘের ভেলা। এসময় ফুলে চামর দোলা লাগে এবং খঞ্জনা নেচে ওঠে আপন ছন্দে।

উদ্দীপকে শরৎকালের প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে রাশেদ শহরে বাস করে। তাই সে সচরাচর ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে না। কিন্তু ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে গিয়ে সে শরৎকালের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপমাধুর্যে সে বিমোহিত হয়। অর্থাৎ, 'ঋতু বর্ণন' কবিতার মতো উদ্দীপকেও শরৎকালে প্রকৃতির চিরচেনা রূপ এবং মানুষের হৃদয়ে এই রূপের প্রতি সৃষ্ট গভীর আবেগের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তরের সারবস্তু; উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতার শরৎ ঋতুর সৌন্দর্য এবং এর প্রতি মানবমনের সংবেদনশীলতার দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

#

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বর্ণিত প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে কি? তোমার মতামত দাও।

উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় 'বর্ণিত প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কের দিকটি উম্মোচিত হয়নি।

'ঋতু বর্ণন' কবিতায় প্রকৃতির বিচিত্র রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যুগে যুগে বহু মানুষ মুগ্ধ হয়েছে। এই মুগ্ধতা মানবমনে বহুমুখী ভাবের সৃষ্টি করে। বসন্তের নবীন পত্রপুষ্প, মলয়া সমীর, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তপন, বর্ষার মেঘের গর্জন, শরতের নির্মল আকাশ, হেমন্তের পানপাতা, শীতের রজনির সুখ সবকিছু যেন মানুষের হৃদয়ে ভিন্ন ভিন্ন অনুভব জাগিয়ে তোলে।

উদ্দীপকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে সুন্দরভাবে শরৎকালের' প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দেওয়া হলেও মানবমনে
এর প্রভাব সম্পর্কিত কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। উদ্দীপকের রাশেদ শরতের আকাশ দেখে অবাক হয়েছে। কিন্তু এ বিস্ময় তার অন্তরে কোনো
আবেগ সঞ্চার করেছে কি না, সে বিষয়েও উদ্দীপকে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় একইরকম শরতের বর্ণনা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে কেবল শরৎ ঋতুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা বর্ণিত হয়েছে। 'ঋতু বর্ণন' কবিতার অন্তর্নিহিত প্রকৃতি ও মানবমনের সংযোগের। বিষয়টি এখানে প্রায় অনুপস্থিত। তাই উদ্দীপকে 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বর্ণিত প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কের দিকটি পরিপূর্ণভাবে উন্মোচিত হয়নি বলে আমি মনে করি।

উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মানুষের হৃদয়ের সংযোগ এবং আবেগিক দিকের বহিঃপ্রকাশ না থাকায় কবিতায় বর্ণিত প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কের দিকটি এখানে উম্মোচিত হয়নি।