• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব নাইম যুব ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করতে গিয়ে যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি এগুলোর প্রতি তোমাদের কিছু কর্তব্যও রয়েছে। এগুলো সম্পর্কে জানতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।

উদ্দীপকে মি. নাইমের শেষোক্ত বক্তব্যের সাথে তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব নাইমের শেষোক্ত বক্তব্যের সাথে আমি একমত। জনাব নাইম সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তার এ কথা খুবই যৌক্তিক। কেননা, পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিকের মধ্যে অধিকার ও কর্তব্যের প্রতি সচেতনতা বাড়ে, গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত হয়, দেশপ্রেম বৃদ্ধি পায় এবং ধীরে ধীরে সুযোগ্য নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। এ বিষয়গুলোর চর্চার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। কারণ সুশাসনের বৈশিষ্ট্য হলো জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, কার্যকারিতা, দক্ষতা। আর সুশাসনের এ বৈশিষ্ট্যগুলোকে কার্যকর করার জন্য পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি পাঠ করা প্রয়োজন। জনাব নাইমের সার্বিক বক্তব্যে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের গুরুত্ব ফুটে ওঠেছে। তিনি নাগরিকদের অধিকার আদায় ও কর্তব্য পালনের বিষয়ে যুবকদের সচেতন করার চেষ্টা করছিলেন। কেননা, সুনাগরিক হওয়ার জন্য নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য উভয়টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি ভালো করে পাঠের মাধ্যমে তা সম্ভব। অধিকার কী, একজনের অধিকার কীভাবে অন্যের কর্তব্য হয় এবং কীভাবে তা পালন করতে হয় তার পরিপূর্ণ শিক্ষা আমরা পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমেই কেবল জানতে পারি। আর সেই শিক্ষায় শিক্ষিত নাগরিকদের পক্ষেই কেবল সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যসমূহ সম্পর্কে জানতে হলে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য- জনাব নাইমের এ বক্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে যৌক্তিক।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()