• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

কামালের বাবা একজন সুনাগরিক। তিনি সন্তানকে তার আদর্শে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে দুটি বিষয় অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। প্রথম বিষয়টি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। আর দ্বিতীয় বিষয়টি রাষ্ট্রের অতীত ঘটনাবলির আলোকে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে সহায়তা করবে।

প্রথম বিষয়টি কীভাবে কামালকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে? ব্যাখ্যা দাও।

উদ্দীপকের প্রথম বিষয়টি দ্বারা 'পৌরনীতি ও সুশাসন'কে বোঝানো হয়েছে। নাগরিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত স্থানীয়, জাতীয় বা রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে তাকে পৌরনীতি বলে। পৌরনীতি নাগরিক হিসেবে মানুষের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তাদের কার্যাবলি, অভ্যাস ও আচরণকেও বিশ্লেষণ করে। আবার রাষ্ট্র ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি পর্যালোচনার মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক হবার শিক্ষা দান করে। উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, কামালের বাবা একজন সুনাগরিক। তিনি তার আদর্শে কামালকে গড়ে তোলার জন্য সুনাগরিকতা শিক্ষাদানের পাশাপাশি রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন। কেননা, পৌরনীতির মূল বিষয়বস্তু হলো সুনাগরিকতার সুষ্ঠু শিক্ষাদান করা। ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ এবং উদার রাজনীতিবিদ লর্ড ব্রাইসের মতে, সেই ব্যক্তি সুনাগরিক যার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা (Intelligence), আত্মসংযম (Self Control) ও বিবেক (Conscience) এই তিনটি গুণ রয়েছে। একজন সুনাগরিকের চরিত্রে এ তিনটি গুণ বিদ্যমান থাকার ফলে তার মধ্যে অধিকার ও সচেতনতা সৃষ্টি হয়। তার মধ্যে জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে স্থান দেওয়ার মানসিকতা গড়ে ওঠে। আর পৌরনীতির জ্ঞান লাভের মাধ্যমেই এসকল নাগরিক গুণ অর্জন করা সম্ভব হয়। সুতরাং, বলা যায়, সভ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য একজন নাগরিকের পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করা আবশ্যক।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()