- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
রবিন এ বছর একাদশ শ্রেণির মানবিক শাখায় ভর্তি হয়েছে। তার দাদা ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধি। তার বাবা রহমান সাহেব বর্তমান জাতীয় সংসদের সদস্য। রবিনেরও ইচ্ছা রাজনীতি ও জনসেবার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করা। তাই সুযোগ পেলেই সে তার বাবার সাথে নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্র, সংবিধান ও সুশাসন বিষয়ে আলোচনা করে। ছেলের আগ্রহ দেখে রহমান সাহেব এ বিষয়ে আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য রবিনকে নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট বিষয় পাঠ্য হিসেবে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
রবিনের ইচ্ছার বাস্তবায়নে রহমান সাহেবের পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
রবিনের ইচ্ছার বাস্তবায়নে তার বাবা জনাব রহমান সাহেবের পরামর্শ যৌক্তিক। একটি দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রয়োজন। সেই সাথে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নাগরিকের অংশগ্রহণ করা অপরিহার্য। এক্ষেত্রে পৌরনীতি ও সুশাসনের পাঠ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে পরিচিত হতে নাগরিককে সাহায্য করে। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন কার্যাবলিতে নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়, যা সুযোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হয়। উদ্দীপকে রবিন একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। তার দাদা ও বাবা রাজনীতিতে সক্রিয়। একাদশ শ্রেণির ছাত্র রবিনও তাদের মতো সক্রিয় রাজনীতির মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে চায়। তার এ ইচ্ছা বাস্তবায়নে বাবা রহমান সাহেব পৌরনীতি ও সুশাসনকে পাঠ্যবিষয় হিসেবে নেওয়ার পরামর্শ দেন। মূলত রবিনের মতো নবীন প্রজন্মের সুনাগরিক হয়ে ওঠার পেছনে পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ শাস্ত্র পাঠের ফলে তারা দায়িত্ববান, কর্তব্যপরায়ণ, স্বচ্ছ ও উদার মানসিকতাসম্পন্ন নাগরিকে পরিণত হবে। এছাড়া এ শাস্ত্র পাঠ তাদেরকে রাজনৈতিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে। সর্বোপরি ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের বিকল্প নেই। উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, রবিনের ইচ্ছার বাস্তবায়নের রহমান সাহেব যে পরামর্শ দিয়েছেন তার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।

