- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী নায়লা বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত তার বান্ধবীকে বলছিল, দেশের উন্নতি করতে হলে আমাদের এমন কিছু গুণাবলি অর্জন করা প্রয়োজন, যা একটি বিশেষ বিষয় অধ্যয়নের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি।
নায়লা যে গুণাবলি অর্জনের কথা বলছিল সেগুলোর বর্ণনা দাও।
নায়লা সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জনের কথা বলেছে। সুনাগরিক একটি জাতির গৌরব। সমাজ জীবনের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য সুনাগরিক একান্ত অপরিহার্য। সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে অপরিহার্য গুণাবলি যে নাগরিকের মধ্যে আছে তাকেই সুনাগরিক বলা হয়। অনেকেই তাই অধিকার ও কর্তব্য সম্বন্ধে সচেতন নাগরিককে সুনাগরিক বলে অভিহিত করেন। উদ্দীপকের নায়লাও এসকল গুণাবলির প্রতি ইঙ্গিত করেছে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, নায়লা তার বান্ধবীকে দেশের উন্নতি করার জন্য কিছু গুণাবলি অর্জন করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছিল। সে মূলত একজন সুনাগরিকের গুণাবলির কথা বলছিল। বৃদ্ধি সুনাগরিকের অন্যতম একটি গুণ। আধুনিক রাষ্ট্রের জটিল সমস্যাবলি অনুধাবন করে তার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বুদ্ধিমান নাগরিক অবশ্যই অপরিহার্য আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক সরকারের সফলতা নির্ভর করে নাগরিকের বুদ্ধিমত্তার উপর। আত্মসংযম সুনাগরিকের একটি বড় গুণ এই মহৎ গুণ নাগরিককে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিসর্জন দেয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। আবার সুনাগরিকের জাগ্রত আত্মশক্তি হলো তার বিবেক। বিবেক একজন পথ প্রদর্শকের ন্যায় ব্যক্তির জীবনকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করে। বিবেক ব্যক্তিকে একজন আদর্শ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। এছাড়াও একজন সুনাগরিকের দায়িত্ববোধ, অধিকার সচেতনতা, রাজনৈতিক সচেতনতা, দেশপ্রেম প্রভৃতি গুণাবলি থাকা প্রয়োজন। আর নায়লাও নাগরিকের এ গুণাবলির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছে।

