- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- অর্ধাঙ্গী [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
শিশির এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। বালিকা বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার খুব শখ থাকলেও সে পারিবারিক শাসন ডিঙিয়ে স্কুলে যেতে পারেনি। মায়ের কাছে সে আরবি বর্ণমালা শিখেছে। এরপর কায়দা শিখে যখনই আমপারা শিখতে শুরু করে তখনই তার বিয়ের প্রস্তাব আসে। তার পিতা-মাতা কালবিলম্ব না করে মেয়ের বিয়ে দেন। ভাগ্যগুণে শিশির ভালো স্বামী পেয়ে যায়। সে স্বামীর সংসারে থেকে নিজের প্রচেষ্টা ও স্বামীর উৎসাহে বিদ্যা অর্জন করে। তাতে সে সমাজে নারীর হীন অবস্থা বুঝতে পারে। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সে নারীশিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তার এলাকার নারীদের শিক্ষিত করে তোলে।
'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কোন প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ: কবিতাংশটি ব্যবহার করেছেন। বর্ণনা করো।
সমাজে নারী ও পুরুষের জীবনযাপনের পার্থক্য নির্দেশ করতেই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি সংযুক্ত করা হয়েছে'।
আমাদের সমাজে পুরুষ ও নারীকে অভিন্ন সত্তা ভাবা হয় না বলে তাদের জীবনযাপন প্রণালিতেও দেখা যায় ব্যাপক বৈসাদৃশ্য। 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতায় নববিবাহিত বর ও কনের কতিপয় সংলাপের ভেতর দিয়ে এই দৃশ্যই প্রতীয়মান হয়। কবিতা থেকে দেখা যায় যে, কন্যাকে এমন শিক্ষা দেওয়া হয় যাতে সে স্বামীর ছায়াতুল্য সহচরী হতে পারে।
উত্তরের সারবস্তু: সমাজে নারী ও পুরুষের জীবনযাপনের পার্থক্য নির্দেশ করতেই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে ররীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি সংযুক্ত করা হয়েছে।

