• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • যৌবনের গান [গদ্য]
যৌবনের গান [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জাতির কল্যাণে বজলুর রশিদ সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। কাজ করতেন অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য। নিজের বলতে তাঁর কিছুই ছিল না। মানুষের দুর্দশা লাঘবই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী, তারুণ্যের গান।

ছেলেবেলায় নজরুল কোন গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন?

ছেলেবেলায় নজরুল লেটো গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

অট্টালিকা চাপা পড়ে মানুষের মৃত্যুর কারণ কী?

প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কারের জীর্ণ অট্টালিকার ভিত্তি অতি দুর্বল; তাই তাতে চাপা পড়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

প্রচলিত ধর্মীয় বিধিবিধান ও সংস্কারের জীর্ণ অট্টালিকায় চাপা পড়ে মানবধর্ম আজ ভূলুণ্ঠিত। কুসংস্কারের এই অট্টালিকা মানবতার মৃত্যুর কারণ। যুগে যুগে সমাজ-ধর্ম প্রভৃতির অনুশাসনে আবদ্ধ কুসংস্কারের অট্টালিকাই আজ ভেঙে পড়ে নিরীহ অসহায় মানুষ মারা যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যে প্রাবন্ধিক তরুণদের আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্তরের সারবস্তু: সমাজ-ধর্ম প্রভৃতির অনুশাসনে কুসংস্কারের যে বিশাল অট্টালিকা তৈরি হয়েছে তাতে চাপা পড়ে নিরীহ অসহায় মানুষ মারা যাচ্ছে।

#

উদ্দীপকে যৌবনের গান প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনধর্মের সেবাপরায়ণ মাতৃময়ী দিকটি উদ্দীপকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, যারা কর্মে ও সেবায় জাতির কল্যাণ সাধন করে, যারা মহত্ত্বের সাধনায় ব্রতী, যারা তারুণ্যের সামাজিক প্রথার শৃঙ্খল ভেঙে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে তারাই প্রকৃত যৌবনধর্মের অনুসারী। যাদের মাতৃরূপ সেবা-শুশ্রুষায় আর্তনিপীড়িত মানবের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়, ভিখারি সেজে দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য ভিক্ষা করে, দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের মনে জাগায় আশার বাণী, যৌবন তাদের পদচুম্বন করে।
উদ্দীপকের বজলুর রশিদের মাঝে এই যৌবনধর্মিতা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন জাতির কল্যাণে। তিনি সমাজের অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। নিজের সমস্ত কিছুকে সকলের মঙ্গলের সঙ্গে উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। মানুষের দুঃখকষ্ট লাঘব করার জন্য অসহায় মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে তারুণ্যের জয়গান যেন তাঁর কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের মাতৃময়ী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, উদ্দীপকের বজলুর রশিদের মাঝে সে বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে চমৎকারভাবে।

উত্তরের সারবস্তু: 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের মাতৃময়ী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, উদ্দীপকের বজলুর রশিদের ভিতরে তার প্রতিফলন ঘটেছে চমৎকারভাবে।

#

উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সঙ্গে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? মূল্যায়ন করো।

উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সাথে আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

‘যৌবনের গান' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক যৌবনধর্মের স্তুতি করেছেন। যৌবনের সূর্য যেখানে অন্ত যায়, দুঃখের অমানিশা সেখান থেকেই উদয় হয়। তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে গিয়ে কবি বলেছেন, গতিই যাদের জীবন, মধ্যাহ্নের রৌদ্রের উত্তাপ যাদের ধর্ম, বিপুল আশা, অদম্য উৎসাহে এরা ভরপুর, ঔদার্য ও অফুরন্ত প্রাণশক্তি ও অটল সাধনায় যারা ব্রতী, যারা মাতৃরূপেরও অধিকারী- তারাই প্রকৃত তরুণ। একই সাথে এরূণ্যের দুটি দিক মাতৃময়ী ও অপ্রতিরোধ্য শক্তির দিক প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে।
দ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, সেবাপরায়ণ এক প্রাণচঞ্চল চরিত্র বজলুর রশিদ। যিনি অনাথ ও অসহায়ের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ রেছেন। তিনি মানুষকে দুঃযাহসী তারুণ্যের গান শুনিয়ে তাদের আলোকিত করার চেষ্টা করেন।
মালের অসহায়ের সহায়রূপে উদ্দীপকের বজলুর রশিদ নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি হতাশাগ্রস্তের মনে আশার বাণী জাগিয়েছেন। যৗবনের গান' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক এরূপ যৌবনের স্তুতি করেছেন। তবে যৌবনের সেবাপরায়ণ দিকটি ছাড়াও অপ্রতিরোধ্য শক্তির একটি দিক য়েছে যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের যৌবনের মাতৃময়ী রূপের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

সারবস্তুঃ 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনধর্মের যেসব বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন উদ্দীপকে বজলুর শিদের মধ্যে তার চমৎকার প্রতিফলন ঘটেছে।