• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রেসকোর্স ময়দান ১৯৭১
প্রথম সরকার গঠন, ১৯৭১
বাঙালির শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাসের বর্ণনা
হানাদারদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা
বিশ্ব প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত
বিজয় অর্জন নিশ্চিত করা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের ক্ষেত্রে ছকের ‘খ' তে উল্লিখিত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

মুক্তিযুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং এর পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে ছক 'খ'-তে উল্লেখিত সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গুরুত্বপূণ ভূমিকা পালন করে।

১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান করে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এ সরকার পাকিস্তান সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী ইপিআর (পরে বিডিআর ও বর্তমানে বিজিবি) বাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সদস্য এবং দেশের মুক্তিকামী সাধারণ মণ্ডনুষকে নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠন করে। যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে এ সরকার দেশকে ১১ টি সেক্টর ও কয়েকটি সাব-সেক্টরে ভাগ করে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকতাদের নেতৃত্বে তিনটি বিশেষ ফোর্স বা বাহিনী গঠন করা হয়। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের আহ্বানে প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সমর্থন দেয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ। ও অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করে।

এছাড়া মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরে (যেমন- দিল্লি, লন্ডন, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, স্টকলেম) কূটনীতিকদের পাঠায়। বিদেশের মিশন থেকে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের 'পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা হয়। এজন্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। "তিনি ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্ব নেতৃত্ব ও সাধারণ জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। মুজিবনগর সরকারের এসব রাজনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তিযুদ্ধের অনুকূলে অনমত তৈরি হয়। মূলত মুজিবনগর সরকারের সুদক্ষ পরিচালনার মাধ্যমেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।


মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ সরাসরি অংশগ্রহণ করে বিজয় অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছিল।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্কুল, দ.লেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিরাট অংশ সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেয়। অনেকে ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করে। মুক্তিবাহিনীতে একক গোষ্ঠী হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজের মহান আত্মত্যাগ ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন কঠিন হতো।

#

কত তারিখে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করা হয়?

২৬শে মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করা হয়।

সহায়ক তথ্য

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা এ বেতার কেন্দ্র চাল করেন বেতার কেন্দ্রটি সংগঠনের মূল উদ্যোত্তা ছিলেন গায়ক বেলাল মোহাম্মদ।

#

ছকের 'ক' দ্বারা কোন ঐতিহাসিক ঘটনাটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ছকের'ক' দ্বারা ঐতিহাসিক ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ প্রতিফলিত হয়েছে।

বিশ্বের ইতিহাসে যেসব ঐতিহাসিক ভাষণের নজির আছে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ তার অন্যতম রাজনৈতিকভাবে চরম দুর্যোগময় একটি পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণ দেন এ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন এবং জনগণকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান রেসকোর্স ময়দানের ভাষণে বঙ্গাবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসন ও শোষণ-বণ্যনার ইতিহাস, নির্বাচনে জয়ের পরও ক্ষমত হস্তত্তরে টালবাহানার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এ ভাষণে বঞ্চনার বেড়াজাল ছ্যিা করতে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়য়। ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বঙ্াকবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই ভাষণকে "বিশ্ব প্রামাণ্য দলিল" হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

উদ্দীপকের 'ক' ছকে একটি ঘটনার কয়েকটি তথ্য যেমন- রেসকোর্স ময়দান ১৯৭১, বাঙালির শোষণ বঞ্চনার ইতিহাস বর্ণনা, বিশ্ব প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি প্রভৃতি তুলে ধরা হয়েছে। 'ক' ছকের এ তথ্যগুলো উপরে বর্ণিত বঙ্গাবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ছকের 'ক' দ্বারা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে তুলে ধরা হয়েছে।