- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাত ফরিদের বয়স ১৮ বছর। সে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়। অনেক রাতে বাসায় ফেরে, বিলম্বে ঘুম থেকে ওঠে, অশালীন ভাষায় কথা বলে, বড়দের সালাম দেয় না ও অশালীন পোশাক পরে। ফরিদের আচরণ দেখে রকিব উদ্দিন তার পাঁচ বছরের সন্তান নূর হোসেনকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। তিনি মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে পরামর্শ চাইলে। তিনি নূর হোসেনকে একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলেন, যেখানে কুরআন শিক্ষা-আদব কায়দা ও মাসালা-মাসায়েলসহ ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া হয়।
ফরিদের আচরণে ইসলামের কোন দিকটির লঙ্ঘন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
ফরিদের আচরণে ইসলামি সংস্কৃতির লঙ্ঘন ঘটেছে।
ইসলাম অনুমোদিত ও কুরআন-হাদিসে নির্দেশিত মুসলমানদের জীবন পদ্ধতিই হলো ইসলামি সংস্কৃতি। এর মাধ্যমে মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব প্রকাশ পায়। ইসলামি সংস্কৃতি একটি আদর্শিক সংস্কৃতি। ইসলামের মূলনীতি ও আদর্শের আলোকে এ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ফরিদের আচরণে এ সংস্কৃতিরই লঙ্ঘন ঘটে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফরিদ অনেক রাতে বাসায় ফেরে, বিলম্বে ঘুম থেকে ওঠে, অশালীন ভাষায় কথা বলে, বড়দের সালাম দেয় না ও অশালীন পোশাক পরে। তার এসব কর্মকাণ্ড ইসলামি সংস্কৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত। কেননা পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা, ভালো কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া, কথাবার্তা, আচার-আচরণ ও চলাফেরায় শালীন ও মার্জিত হওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, মার্জিত ও শালীন পোশাক পরিধান করা, বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ করা ইত্যাদি ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিক। আর উদ্দীপকে ফরিদের আচরণে এরই লঙ্ঘন লক্ষ করা যায়।

