- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন [গদ্য]
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
ছবি: জনৈক লেখক তাঁর ভক্তকে অটোগ্রাফ দিচ্ছেন এবং তার সেলফি তুলে রাখছেন যাতে তার জনপ্রিয়তা অন্যকে দেখাতে পারেন।
'উদ্দীপকের বিষয়টি একজন প্রকৃত লেখকের চেতনার পরিপন্থি'- 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
লেখকের চেতনাবোধ কখনো যশ বা খ্যাতির মোহাবিষ্ট হতে পারে না বিবেচনায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।
'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনায় লেখক নবীন লেখকদের উদ্দেশে প্রকৃত লেখকের আদর্শ তুলে ধরতে প্রয়াসী হয়েছেন। তাঁর মতে, যশ বা খ্যাতির জন্য কখনো লেখা উচিত নয়। তাহলে যশও হবে না, লেখাও ভালো হবে না। আর লেখা ভালো হলে একসময় যশ আপনিই আসবে। তাই লেখককে যশের প্রতি মোহাবিষ্ট না হয়ে তার লেখায় পরিপূর্ণ মনোনিবেশ করা উচিত।
উদ্দীপকের ছবিতে একজন যশ বা খ্যাতি আকাঙ্ক্ষী লেখককে দেখা যাচ্ছে। তিনি তাঁর পাঠক বা ভক্তকে শুধু অটোগ্রাফ দিয়েই ক্ষান্ত হন না, নিজ হাতে আবার সেলফিও তোলেন। তা আবার যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে নিজের কৃতিত্ব জাহির করতে উদ্যত তিনি। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনায় এ বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। লেখক এ ধরনের আচরণ পরিহার করতে বলেছেন।
উদ্দীপক ও আলোচ্য রচনা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, একতান লেখকের লক্ষ্য সর্বদা কীভাবে তাঁর লেখা উন্নত মানসম্পন্ন করা যায়। যশ বা খ্যাতির আকাঙ্ক্ষা তাঁর লেখার মান নিম্নগামী করবে। ফলে যশাকাঙ্ক্ষা তাঁর লেখকসত্তা দুর্বল করে ফেলবে। লেখককে সাহিত্যের বিভিন্ন অনুষঙ্গে আত্মস্থ করতে হবে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায় যে, 'উদ্দীপকের বিষয়টি একজন প্রকৃত লেখকের চেতনার পরিপন্থি'- মন্তব্যটি যথার্থ।
উত্তরের সারবস্তু: প্রকৃত লেখক কখনো যশের জন্য লেখেন না (আলোচ্য রচনায় এ বিষয়টিই ফুটে ওঠায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ হয়ে উঠেছে।

