• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন [গদ্য]
বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন [গদ্য]

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আরাফ বড়ো হয়ে লেখক হতে চায়। তাই এখন থেকেই লেখালেখির চর্চা করছে সে। সহজ-সরল শব্দ ব্যবহার তার লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য। অপরিচিত বা জটিল শব্দসম্ভার সে সর্বদা পরিত্যাগ করে। সে মনে করে যে, তার লেখা পাঠককে বোধগম্য করাই আসল লক্ষ্য।

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নধ্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার সরলতার দিকটি ফুটে উঠেছে।

আলোচ্য রচনায় লেখক নবীন লেখকদের প্রতি দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ দিয়েছেন। আদর্শ লেখুকদের জন্য কোনটি উচিত আর কোনটি করা উচিত নয় এমন মতামত ব্যক্ত করেছেন তিনি। তাঁর মতে, লেখকগণ যেসব অলংকার ব্যবহার করেন, সেসবের মাঝে শ্রেষ্ঠ হলো-সরলতা। তিনি মনে করেন, সোজা কথায় স্বীয় মনের ভাব সহজে পাঠককে বোঝাতে পারা লেখকই শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। কেননা, লেখার উদ্দেশ্যই পাঠককে বোঝানো।

উদ্দীপকের আরাফ বড়ো হয়ে লেখক হতে চায়। এখন থেকেই সে অল্পস্বল্প লেখালেখির চর্চা করছে এবং সহজসরল শব্দ ব্যবহার করে লিখছে। লেখালেখি হতে সর্বপ্রকার জটিলতা পরিহার করার পক্ষপাতী, যে। পাঠকের বোধগম্যতাকে সে প্রাধান্য দেয়। আর এদিকটি 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার 'সরলতা' বৈশিষ্ট্যটিকেই সাদৃশ্যপূর্ণ করেছে।

উত্তরের সারবস্তু: 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনায় লেখক সরলতা গুণের কথা বলেছেন যা উদ্দীপকের আরাফের লেখায় ফুটে উঠেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()