• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
মোল্লাবাড়ির এক বিধবা দাঁড়িয়ে আছে
নড়বড়ে খুঁটি ধরে দগ্ধ ঘরের।
স্বাধীনতা, তোমার জন্যে
হাড্ডিসার এক অনাথ কিশোরী শূন্য থালা হাতে
বসে আছে পথের ধারে।
তোমার জন্যে,
সগীর আলী শাহবাজপুরের সেই জোয়ান কৃষক,
কেষ্টদাস, জেলে পাড়ার সবচেয়ে সাহসী লোকটা,
মতলব মিয়া, মেঘনা নদীর দক্ষ মাঝি....
সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে তোমার জন্যে, হে স্বাধীনতা।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণদের অর্থাৎ কৃষক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান ছিল অপরিসীম।

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃষক, শ্রমিক, জেলে প্রভৃতি পেশাজীবী মানুষের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি। তাঁরা ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা চিন্তা না করে দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য দলে দলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এরফলেই মাত্র নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।

উদ্দীপকের কবিতাংশের দ্বিতীয় ভাংশে আমরা দেখতে পাই, সগীর আলী নামের এক জোয়ান কৃষক, সাহসী জেলে কেষ্টদাস, দক্ষ মাঝি মতলব মিয়া স্বাধীনতা লাভের জন্য অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছে। এরূপ কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতি প্রভৃতি শ্রেণি-পেশার লোকেরা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতির হিসাব না করে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য ছিল যেকোনো মূল্যে স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে। অনেকেই নিজের জীবন বাজি রেখে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করেছে। অনেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মুষ্টিমেয় কিছু এদেশীয় দোসর ছাড়া সবাই কোনো না কোনোভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহিদের মধ্যে সাধারণ মানুষের সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন মানচিত্র এবং লাল-সবুজের পতাকা।

পরিশেষে বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধে কৃষক, জেলে, মাঝিসহ সাধারণ মানুষের সাহায্য-সহযোগিতা ও ত্যাগের ফলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাসঅর্জন সম্ভব হয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()