- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের ৫৮ নং বিমান ঘাঁটিতে ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বরে স্বাক্ষরিত হয় ডেটন চুক্তি। এ চুক্তির উদ্যোক্তা ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এ চুক্তির ফলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধরত জাতিসমূহ আত্মসমর্পণে রাজি হয়। এছাড়া এ চুক্তির ফলেই বসনিয়া, সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া নামক তিনটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। এভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে বলকান অঞ্চলের জাতিগত দ্বন্দ্ব নিরসন হয়, যা কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটায়।
উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন বিষয়ের মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের আমার পঠিত ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণ ঘটনার মিল লক্ষ করা যায়।
বাঙালির নিকট পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের বিষয়টি ঐতিহাসিক গুরত্ব বহন করে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সকল দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতির জীবনে নতুন প্রভাত নিয়ে আসে। উদ্দীপকেও এ ঘটনার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও রাজ্যের ডেটন, বিমান ঘাঁটিতে ১৯৯৫ সালের ২১শে নভেম্বর ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির সাথে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ চুক্তির সাদৃশ্য রয়েছে। ডেটন চুক্তির উদ্যোক্তা ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এ চুক্তির ফলে বসনিয়া হার্জেগোভেনিয়ার যুদ্ধরত জাতিসমূহ আত্মসমর্পণে রাজি হয়। ঠিক একইভাবে ১৯৭১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর প্রধান এবং ভারতীয় আর্মি চিফ অব স্টাফ জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী ও অন্যদের নিরাপত্তাদানের শর্তে লে. জেনারেল নিয়াজিকে আত্মসমর্পণের অনুরোধ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় লে. জেনারেল নিয়াজি যুদ্ধবিরতি ও আত্মসমর্পণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন এবং ১৬ই ডিসেম্বর তার ৯৩ হাজার সৈন্যসহ মিত্র বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে এ ঘটনারই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

