• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ছয় দফার কোন দাবি চিত্র 'ক' এ প্রদর্শিত তর্যের আলোকে উত্থাপিত হয়েছিল তা ব্যাখ্যা কর।

ছয় দফার আধা-সামরিক বাহিনী গঠনের দাবিটি চিত্র 'ক'-এ প্রদর্শিত তথ্যের আলোকে উত্থাপিত হয়েছিল।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের পর প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীতে বাঙালিদের নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে চরম বৈষমা বিরাজ করছিল। মোট অফিসারের মাত্র ৫%, সাধারণ সৈনিকদের মাত্র ৪%, নৌবাহিনীর উচ্চপদে ১৯%, নিম্নপদে ৯%, বিমানবাহিনীর পাইলটদের, ১১% এবং টেকনিশিয়ানদের ১.৭% ছিল বাঙালি। অধিকন্তু আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো নিয়মিত ও প্রশিক্ষিত বাহিনী না থাকায় পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণরূপে অরক্ষিত ছিল। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ এ বিষয়টি পভীরভাবে উপলব্ধি করে।

উদ্দীপকের 'ক' এ প্রদর্শিত তথ্যে মূলত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের বৈষম্যের চিত্রটিই ফুটে উঠেছে। যার ফলশ্রুতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তাও ছিল হুমকির মুখে। এ উপলব্ধি থেকে শেখ মুজিবুর রহমান তার ছয় দফা দাবিনামায় আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি উত্থাপন করে।

এতে বলা হয়, "আঞ্চলিক সংহতি রক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থায় যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য অঙ্গরাজ্যগুলোকে তাদের নিজস্ব কর্তৃত্বাধীনে আধা-সামরিক বাহিনী বা আত্মালিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।" অতএব বিব্যাটি স্পষ্ট যে, ছয় দফার আধা-সামরিক বাহিনী গঠনের দাবিটি চিত্র 'ক' এ প্রদর্শিত তথ্যের আলোকে উত্থাপিত হয়েছিল।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()