• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ছক-১
ছক-২
ঐতিহাসিক আন্দোলনে শহিদ ব্যক্তিদের নাম:
৪টি সমন্বিত দলের দফা:
১। আবুল বরকত
১। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করতে হবে।
২। শফিউর রহমান
২। লবণ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা।

ছক-২-এর ইঙ্গিতকৃত সরকারকে বরখাস্তের মাধ্যমে এ দেশে অরাজক শাসনপর্ব শুরু হয়। বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে ছক-২-এর ইঙ্গিতকৃত সরকার হলো যুক্তফ্রন্ট সরকার। যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্তের মাধ্যমে এদেশে অরাজক শাসনপর্ব শুরু হয়। মন্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে ছক-২-এ উল্লেখ করা হয়েছে ৪টি সমন্বিত দলের দফা বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা এবং লবণ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা। উল্লিখিত এ তথ্য যুক্তফ্রন্ট সরকারকে ইঙ্গিত করে।

১৯৫৪ সালের ৩রা এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতা এ. কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। পাকিস্তানি সরকার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে না পেরে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়। আদমজী পাটকল ও কর্ণফুলী কাগজকলে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করেন। উল্লেখ্য পাকিস্তান সরকারের ইদুনে ওই দাঙ্গা হয়েছিল। শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হককে গৃহবন্দি করা হয় এবং তিন হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এর মাধ্যমে পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর চরম বৈরী মনোভাব প্রকাশ পায় এবং পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানের অরাজক শাসন শুরু হয়, দেশ সামরিক শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়।

পরিশেষে বলা যায়, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্তের মাধ্যমে দেশে অরাজক শাসনপর্ব শুরু হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()