- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
ঘটনা-১: রফিক তার বাবার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে যায়। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীরে লেখা কতকগুলো দাবি দেখতে পায়। বাবা রফিককে বলেন, আমাদের 'ক' নামক একজন নেতা রাজনৈতিক অধিকার রক্ষায় কতকগুলো দাবি তৎকালীন শাসকবর্গের নিকট উত্থাপন করেছিলেন।
ঘটনা-২: আন্দোলন ও সফলতার যোগসূত্র শীর্ষক আলোচনা সভায় জনাব কামাল বলেন, একটা সময় উল্লেখযোগ্য এক নেতার বিরুদ্ধে দেশের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র করছেন। আবার পরবর্তী বছরে এর বিরুদ্ধে সৃষ্ট আন্দোলনে সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক নিহত হন। যার ফলে আমাদের দেশ আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্রে এগিয়ে যায়।
রফিকের বাবার কথায় তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন দাবির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের রফিকের বাবার কথায় পাঠ্যপুস্তকের ছয় দফা দাবির সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
তৎকালীন পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষ্যম্যমূলক আচরণ ও অবহেলার বিরুদ্ধে আন্দোলন গভীর ও সুস্পষ্ট রূপলাভ করে, ৬ দফাভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিনামায়। এ ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের এক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার রক্ষায় ৬ দফা তুলে ধরেন। এসব দাবির মধ্যে ছিল বাঙালির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিকসহ যাবতীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ. বর্ণিত ঘটনার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, রফিক তার বাবার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে গিয়ে সেখানকার একটি প্রাচীরে কতকগুলো দাবি লেখা দেখতে পায়। আর রফিকের বাবার 'ক' দ্বারা ইঙ্গিতপূর্ণ ব্যক্তির রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা দাবি সংক্রান্ত ইঙ্গিতের মাধ্যমে এটি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত ব্যক্তির চরিত্রে শেখ মুজিবুর রহমানের ছায়াপাত ঘটেছে এবং উক্ত দাবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ঘটনা হলো ছয় দফা দাবি।
সুতরাং, দৃঢ়চিত্তে বলা যায়, উদ্দীপকে রফিকের বাবার কথায় পাঠ্যপুস্তকের ছয় দফা দাবির সাদৃশ্য রয়েছে।

