• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ছবিটি দেখে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

"উদ্দীপকের ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাঙালির সকল রাজনৈতিক আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে"- মূল্যায়ন কর।

উদ্দীপকের ঐতিহাসিক ঘটনাটি ভাষা আন্দোলন যা, বাঙালির সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাঙালি, জাতীয়তাবাদ বিকাশের প্রথম ও ভিত্তিমূল হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়ের সূত্রটি নিশ্চিত হয়। বাঙালিরা তাদের অধিকার আদায় করতে সমর্থ হয়। আন্দোলনের যৌক্তিক দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় আলাদা জাতিসভার পরিচয়, যা থেকে পরবর্তীকালে জন্ম হয় একটি স্বাধীন দেশের। দীর্ঘ প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক বাংলা আংশিক স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের স্বতন্ত্র জাতিসত্তার স্বীকৃতি দিতে রাজি ছিল না প্রথম থেকেই। এজন্য প্রথমে তারা আঘাত করার চেষ্টা করে বাংলা ভাষার ওপর। সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে বাঙালিরা রাস্তায় নেমে আসে।

আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালিরা দাবি আদায় করে নেয়। এর মাধ্যমে যে শিক্ষা অর্জিত হয়, তাকে কাজে লাগিরে ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বাঙালিরা সফল হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের বিজয় আসে। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন এসব আন্দোলন-সংগ্রামের ভিত্তিমূল রচনা করে দেয়। এ ভিত্তির ওপরই প্রতিষ্ঠিত হ্যা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তাই বলা হয়ে থাকে, উদ্দীপকের ঐতিহাসিক ঘটনাটি তথা ভাষা আন্দোলন বাঙালির সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()