• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

'ক' ও 'খ' অংশ মিলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। রাষ্ট্রের শুরুতে 'ক' অংশের নেতাদের বৈষম্যমূলক আচরণ অবহেলার কারণে 'খ' অংশের কোনো উন্নতি হয়নি। 'খ' অংশের একজন নেতা তাদের স্বায়ত্তশাসনের জন্য কতকগুলো দাবি তুলে ধরেন। 'ক' অংশের নেতারা কোনো দাবি মেনে না নিলে 'খ' অংশের জনগণ পৃথক রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে। পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার মতামত দাও।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবিকে নির্দেশ করে। উত্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছয় দফার গুরুত্ব অপরিসীম। ছয় দফা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সকল অধিকারের কথা তুলে ধরে। আইয়ুব সরকার একে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি হিসেবে আখ্যায়িত করলেও এ কর্মসূচি বাঙালির জাতীয় চেতনামূলে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা বলা না হলেও এ ছয় দফা'কর্মসূচি বাঙালিদের স্বাধীনতার মন্ত্রে গভীরভাবে উজ্জীবিত করে। ছয় দফাভিত্তিক স্বাধীনতার আন্দোলন ১৯৬৯-এ গণআন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে রূপ নেয়। কারণ এ দাবিনামায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও অবিচার থেকে বাঙালির মুক্তির আভাস ছিল, যা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে প্রতিবাদী হয়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করেছিল। ফলে স্বাধিকার আন্দোলন ক্রমশ বেগবান হতে থাকে। বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে একপর্যায়ে স্বাধিকার আন্দোলন রূপ নেয় স্বাধীনতা আন্দোলনে। সংঘটিত, হর মহান মুক্তিযুদ্ধ।

পরাধীনতার কবল থেকে মুক্ত হয় বাংলাদেশ। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

শহিদ দিবস কী?

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলা ভাষা রক্ষা পায়, যার কারণে ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

#

"মৌলিক গণতন্ত্র ছিল সামরিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার কৌশল"- ব্যাখ্যা কর।

মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মোট ৮০ হাজার নির্বাচিত ইউনিয়ন কাউন্সিল সদস্য নিয়ে নির্বাচকমন্ডলী গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিধান রাখা হয়। সাধারণ জনগণ আইয়ুব খানের প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না। তাই। তাদেরকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি গ্রহণ করে যাতে তিনি জয়লাভকররুত পারেন। সুতরাং বলা যায়, মৌলিক গণতন্ত্র ছিল সামরিক শাসন দীর্ঘস্থায়ী করার কৌশল।

#

উদ্দীপকে 'খ' অংশের দাবিগুলো তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনাকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে ছকের 'খ' দ্বারা ইঙ্গিত করা হয়েছে ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দালনকে।

১৯৬৬ সালে প্রণীত হয় ৬ দফা দাবি। ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন ছিল বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে। এ ৬ দফা দ্বারা শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সকল অধিকারের। কথা তুলে ধরেন। এ কর্মসূচি একদিকে বাঙালি জাতির চেতনামূলে বিস্ফোরণ ঘটায়, অন্যদিকে স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের 'অপশাসনের। ভিত নাড়িয়ে দেয়। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা বলা না হলেও সামগ্রিকভাবে এ ছয়দফা বাঙালিদের স্বাধীনতার মন্ত্রে গভীরভাবে উজ্জীবিত করে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ছকের 'খ' দ্বারা ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনকেই নির্দেশ করা হয়েছে।