• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

নির্বাচন বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধানু বস্তা হিসেবে আজমল হোসেন বলেন, "এটি পাকিস্তান আমলের নির্বাচন যাতে চারটি দল সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করে জয়ী হয় এবং তারা সরকার গঠন করে।" তিনি আরেকটি নির্বাচনের কথাও উল্লেখ করে বলেন, "এটি এক্স ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।"

উদ্দীপকের শুরুতে কোন নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকের শুরুতে পূর্ব বাংলায় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে।

পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটানোর লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর আওয়ামী লীগ যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পাঁচটি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। দল পাঁচটি হলো- আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম, গণতন্ত্রী দল ও পাকিস্তান খেলাফতে রব্বানী পার্টি। উদ্দীপকে 'খ' দেশের রাজনৈতিক নেতাও এরূপ জোট গঠনপূর্বক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে জনগণ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে। পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আর মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে। বাকি আসন অন্যরা পায়। নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় পশ্চিম পাকিস্তানিদের কর্তৃত্ব ও প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার রায় প্রদান করে। পূর্ব বাংলায় বাঙালিদের শাসন দেখতে জনগণ যে আগ্রহী, তা স্পষ্ট হয়। যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক সরকার গঠনের রায় লাভ করে।

জনগণই যে সকল ক্ষমতার উৎস- এ নির্বাচন তা প্রমাণ করে। জনগণ এ নির্বাচনে মুসলিম লীগকে প্রত্যাখ্যান করে এবং পূর্ব বাংলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর শোষণের অবসান ঘটায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()