• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সমাজে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন, দেখে রফিক সাহেব খুবই চিন্তিত। পরবর্তী প্রজন্ম যাতে উক্ত আগ্রাসনের কুফল উপলব্ধি করে তা থেকে মুক্তি পায়, সে লক্ষ্যে তিনি এলাকায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যেখানে শৈশবেই শিক্ষার্থীরা নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা লাভ করতে পারবে।

উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্কৃতির বিপরীতে ইসলামের ব্যাবহারিক দিকসমূহ পর্যালোচনা কর।

উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্কৃতি তথা পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিপরীতে ইসলামি সংস্কৃতির ব্যাবহারিক দিকগুলো অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।

মুসলিম জাতির জাতীয় ও ব্যক্তিগত জীবনে ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ খুবই জরুরি। আর রফিক সাহেব এ সংস্কৃতির গুরুত্বারোপ করেন। উদ্দীপকে রফিক সাহেব পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন দেখে খুবই চিন্তিত। কেননা এ সংস্কৃতিতে কোনো উপকার নেই। এর মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এই সংস্কৃতির মাধ্যমে ব্যক্তি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।

ইসলামি সংস্কৃতির ব্যাবহারিক দিকসমূহ হলো ভালো কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া, পারস্পরিক দেখা হলে সালাম দেওয়া, সন্তান জন্মের পর আজান দেওয়া, আকিকা দেওয়া, সুন্দর নাম রাখা, ইসলামি বিধান মেনে চলা, ইসলামি অনুষ্ঠানাদিতে কুরআন তেলাওয়াত, নারী-পুরুষ উভয়ের পর্দা মেনে চলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নাচগান ও অনৈসলামিক কার্যকলাপ পরিহার করা ইত্যাদি।

সুতরাং ইসলামি সংস্কৃতিকে মানবকল্যাণ ও সাফল্যের নিশ্চয়তা বিধায়ক ঐশী সংস্কৃতি বলা যায়। তাই মানবজাতির পার্থিব কল্যাণ এবং পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য জীবনের সব পর্যায়ে ইসলামি সংস্কৃতির অনুকরণ, অনুসরণ ও বাস্তবায়ন অনিবার্য।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()