- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
যুক্তফ্রন্ট সরকার
:
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
'ক' নামক দেশে একটি রাজনৈতিক জোটের অন্তর্ভুক্ত। কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতা মোঃ দস্তগির একসময় দেশটির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। মোঃ দস্তগির ছিল দেশটির পূর্ব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী; কেন্দ্রীয় সরকার এ সরকারকে মনেপ্রাণে গ্রহণ। করতে, পারেনি। তারা যড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয় এবং একসময় এ সরকারকে বরখাস্ত করে কেন্দ্রীয় সরকার।
'ক' দেশের সরকারের সাথে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মিলগুলো ব্যাখ্যা কর।
'ক' দেশের সরকারের সাথে যুক্তফ্রন্ট সরকারের কিছু মিল লক্ষ করা যায়।
'ক' নামক দেশের যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতা মোঃ দস্তগির একসময় দেশটির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। অনুরূপভাবে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতা এ. কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। এক্ষেত্রে 'ক' দেশের সাথে যুক্তফ্রন্টের মিল রয়েছে। মোঃ দরূপির ছিল দেশটির পূর্ব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকার এ সরকারকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয় এবং একসময় কেন্দ্রীয় সরকার এ সরকারকে বরখাস্ত করে। পাঠ্যবইয়ে দেখতে পাই, পাকিস্তান সরকার পূর্ব বাংলার যুক্তফ্রন্ট সরকারকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেনি। তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়। আদমজি পাটকল ও কর্ণফুলিতে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখান্ত করে। 'ক' দেশের সরকারের সাথে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট সরকারের উল্লিখিত মিলগুলো লক্ষ করা যায়।

