- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখল
:
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
'ক''নামক একজন ব্যক্তি। জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীকে উৎখাত ও দেশত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল করেন এবং নিজেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত করেন। উক্ত পদে বসে তিনি যেসব পদক্ষেপ নেন তা হলো- ১. নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা, ২. পূর্ব ঘোষিত একটি সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করা, ৩. দুর্নীতি ও চোরাচালানি দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত ও ৪. রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা।
জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীর সাথে কোন জেনারেলের ক্ষমতা দখলের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
পাঠ্যবইয়ের আলোকে জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীর সাথে জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখলের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীকে উৎখাত ও দেশত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল এবং নিজেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত করেন। একইভাবে ১৯৫৮ সালের ২৭অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মীর্জাকে উৎখাত ও দেশ ত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল এবং নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত করেন। এখানে জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীর সাথে জেনারেল আইয়ুব খানের মিল রয়েছে। জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীর প্রেসিডেন্ট পদে বসে যেসব পদক্ষেপ নেন তা হলো- ১. নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করা, ২. পূর্ব ঘোষিত সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করা, ৩. দুর্নীতি ও চোরাচালানি দূর করার অলীকার ব্যক্ত ও ৪. রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা।
উক্ত পদক্ষেপগুলোর সাথে আমা জেনারেল আইয়ুব খানের পদক্ষেপের মিল, দেখতে পাই। তাই আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি, উদ্দীপকের জেনারেল তৌহিদ চৌধুরীর সাথে আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখলের সাদৃশ্য রয়েছে।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

