• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও পরবর্তী ঘটনা

:

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

মিশুর পিতা কোনো নির্বাচনে ভোট দিতে চায় না। তিনি মনে করেন। নির্বাচন জনগণের কোনো কাজে আসে না। মিশু তার পিতাকে ঐতিহাসিক একটি নির্বাচনের কিছু তথ্য একটি বই থেকে পড়ে শোনান। নির্বাচনটি নিয়ে নানা আশঙ্কা ছিল। নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় এক ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে। একটি দল ছয় দফার পক্ষে নির্বাচনকে গণভোট হিসেবে অভিহিত করেছিল।

পাঠ্যপুস্তকের আলোকে উক্ত নির্বাচনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে যে নির্বাচনের কথা বর্ণনা করা হয়েছে তার মধ্যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের চিত্র ফুটে উঠেছে।

১৯৭০ সালের নির্বাচন পূর্ব বাংলার জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সাফল্য বাঙালিদের ঐক্য জোরদার করে। তারা আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে ওঠে। যা স্বাধিকার আদায়ের গতিকে ত্বরানিত করে। ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ফলে ছয় দফা ও ১১ দফার প্রতি জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ যে বাঙালিদের একাত্র প্রতিনিধি তা এ নির্বঅচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক বিজয় ঘটে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সরকার ও স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য এটি ছিল বিরাট পরাজয়। তারা বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরোধিতা ও যড়যন্ত্র আঁটতে থাকে। পূর্ব বাংলার জনগণ পশ্চিম পাকিস্তানের কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান গ্রহণ করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পিছনে এ নির্বাচনের অপরিসীম গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ নির্বাচন বাঙালি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রাকে মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র দানে বিশাল ভূমিকা রাখে। পরিণতিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। পূর্ব বাংলার মানুষের স্বার্থরক্ষায় এবং জাতিকে উজ্জীবিত করার জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()