- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- ১৯৭১ (উপন্যাস)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
এলাকায় ঢোকার পর খান সেনারা কলিমদ্দি দফাদারকে তাদের অভিযানের সঙ্গী করে নেয়। রোজ তিন টাকা বকশিশ এবং ইউনিয়ন বোর্ডের চাকুরি নিরাপদ করার উদ্দেশ্যে সে নিখুঁত অভিনেতার মতো খান সেনাদের প্রতিটি অভিযানে আগে আগে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। এটা কলিমদ্দির বাইরের রূপ হলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক মানুষ। গোপনে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করতেন। খান সেনারা নতুন কোনো জায়গায় অভিযানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আগেই তা মুক্তিযোদ্ধাদের জানিয়ে দিতেন। তার এরূপ ভূমিকার কারণে মুক্তিবাহিনী খান সেনাদের একটি দলকে অতর্কিতে আক্রমণ করে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। শুরুতে মানুষ ভুল বুঝালেও এ ঘটনার পর এলাকায় কলিমদ্দি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে প্রথম দিকে বিশেষ খাতির করে কেন?
আজিজ মাস্টারের কাছ থেকে গ্রাম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেওয়ার জন্য মেজর এজাজ প্রথম দিকে তাকে বিশেষ খাতির করে।
মেজর এজাজ পাকিস্তানি মিলিটারির একজন অফিসার। নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করে তার বাহিনী স্কুলঘরে অবস্থান নিয়ে গ্রামের বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে এনে গ্রাম সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আজিজ মাস্টারকে মেজর ডেকে নিয়ে প্রথমে খুব খাতির করে। এমন ভদ্রতার কারণ হলো আজিজ মাস্টারের মন জয় করে তার কাছ থেকে জঙ্গলা মাঠের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জোয়ান ও অফিসারদের সম্পর্কে গোপন তথ্য জেনে নেওয়া
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

