• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। মানুষের জীবনের প্রতিটি দিক ও বিভাগের সামগ্রিক দিক-নির্দেশনা এতে রয়েছে। দীনের প্রচার ও প্রসারের জন্য এ শিক্ষার বিকল্প নেই। ইসলামে জ্ঞানার্জনের অত্যধিক গুরুত্ব রয়েছে। এ বিষয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এর অনেক স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়টির গুরুত্ব সম্পর্কে মহানবি (স) কী নির্দেশনা দিয়েছেন? বিশ্লেষণ কর।

জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব বিবেচনা করে মহানবি (স) একে ফরজ ঘোষণা করে দেন। জ্ঞান অর্থ জানা। কোনো বিষয়ের মূল বিষয় অবগত হওয়াই জ্ঞান। ইসলামে জ্ঞানার্জনকে আবশ্যক করেছে। নবি (স)ও এ ব্যাপারে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রাসুল (স) জ্ঞান অর্জনের জন্য অনেক স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। রাসুল (স.) বলেছেন, "ফরজ কর্তব্যগুলো পালন কর, কুরআন শিক্ষা কর এবং লোকদেরও শিক্ষা দাও। কেননা আমি মৃত্যুর অধীন।" তিনি আরও বলেন, "প্রয়োজন হলে চীন দেশে গিয়েও বিদ্যা অন্বেষণ কর।" তিনি জ্ঞানান্বেষণকে সর্বজনীন ঘোষণা করে বলেন- "বিদ্যা অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর ফরজ।" শিক্ষাই সম্মান ও মর্যাদার মাপকাঠি।

আল্লাহ তায়ালা আদম (আ.) কে ফেরেশতাদের ওপরে মর্যাদা দিয়েছিলেন এবং তার মানদণ্ড ছিল শিক্ষা। ফেরেশতারা আদম (আ.)-এর জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব দেখে, তার প্রতি শ্রদ্ধাবনত হয়েছিলেন। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, "বলুন, যারা জানে আর যারা জানে না অর্থাৎ জ্ঞানী আর মূর্খরা কি কখনো সমান হতে পারে?"

মহানবি (স.) বলেন, "যে ব্যক্তি ইসলামকে উজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, জান্নাতে নবিগণ ও তাঁর মধ্যে মাত্র একটি স্তরের ব্যবধান থাকবে।"

পরিশেষে বলা যায়, নবিজি (স) এর শিক্ষা অনুসারে ইসলাম শিক্ষা অর্জন করে আমরা জ্ঞানান্বেষণে ব্রতী হবো এবং জ্ঞানচর্চায় সাধ্যমতো অবদান রাখব।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()