• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

দীনবন্ধু মিত্র রচিত জমিদার দর্পণ নাটকে সাধারণ জনগণের ওপর তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার, অবিচার, জুলুম, নির্যাতনের করুণ কাহিনিচিত্রের বিবরণ জানা যায়। সেখানে জমিদারদের পাশাপাশি সুদখোর মহাজনদের অত্যাচারের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। দরিদ্র জনগণ বেঁচে থাকার তাগিদে তাদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিত। ফলে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে বিশাল ব্যবধানের সৃষ্টি হওয়ায় সমাজে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল। এ সব কিছুই সংঘটিত হতো শাসক শ্রেণির ছত্রছায়ায়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র প্রাক-ইসলামি আরবের কোন অবস্থার প্রতিচ্ছবি? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র প্রাক-ইসলামি আরবের অসংগতিপূর্ণ সামাজিক অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

সমাজে শ্রেণিবিভাজন, সুদপ্রথা প্রভৃতি চালু থাকলে সমাজ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। প্রাক-ইসলামি আরবই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। উদ্দীপকে উল্লিখিত 'জমিদার দর্পণ' নাটকেও এ দুটি সামাজিক অসংগতি সমাজে কীরূপ প্রভাব ফেলে তা বর্ণিত হয়েছে।
প্রাক-ইসলামি আরবে যাযাবর বেদুইন এবং শহরের স্থায়ী বাসিন্দা -এ দুটি শ্রেণি ছিল। শহরবাসীরা উন্নত জীবনযাপন করলেও বেদুইনরা সভ্যজীবনের দেখা পায়নি। এ শ্রেণিবিভাজনের সূত্র ধরেই সে সময় আরবে অন্যায়, অবিচার বৃদ্ধি পেয়েছিল। আবার কুসীদ বা চক্রবৃদ্ধির হারে সুদ প্রথা আরবের সাধারণ অধিবাসীদের নিকট অভিশাপ হিসেবে গণ্য হতো। এ প্রথা এরূপ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, ঋণ গ্রহণকারী কোনো ব্যক্তি সময়মতো সুদ দিতে না পারলে মহাজন ঋণগ্রহণকারীর স্ত্রী অথবা পুত্র-কন্যাদের দাসে পরিণত করত। উদ্দীপকে বর্ণিত নাটকেও শ্রেণিবিভাজন বিদ্যামন। আবার এখানে মহাজনদের সুদ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জুলুমের বর্ণনাও পাওয়া যায়। সুতরাং নাটকটি প্রাক-ইসলামি আরবের নেতিবাচক সামাজিক অবস্থাকেই তুলে ধরে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র প্রাক-ইসলামি আরবের কোন অবস্থার প্রতি | ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) | Uddoyon