• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারি উপজেলা চেয়ারম্যান তার উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কাজে নিজে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলার সার্বিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার তদারকি করেন এবং শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ করার মাধ্যমে তার উপজেলা শহরের পরিবেশ উন্নততর করেন।

চেয়ারম্যান সাহেবের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহ কি প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? মতামত দাও।

হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত চেয়ারম্যানের গৃহীত ব্যবস্থা প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার কার্যাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পৃথিবীর প্রাচীন সভ্যতাগুলির মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা অন্যতম। সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে গড়ে উঠেছিল এই সভ্যতা। সিন্ধু সভ্যতা নগর সভ্যতা হলেও তারা উন্নত কৃষিব্যবস্থার প্রচলন করেছিল। বন্যার পানি সংরক্ষণ ও বাঁধ দিয়ে এই ব্যবস্থাকে আরো ত্বরান্বিত করেছিল। এছাড়াও পয়ঃপ্রণালি ও রাস্তাঘাট নির্মাণ ও নলকূপ স্থাপনের ক্ষেত্রেও ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছিল, যা উদ্দীপকে চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে দেখা যায়।

উদ্দীপকে চেয়ারম্যান এলাকার উন্নয়নকল্পে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি নিজেই এই উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। উপজেলার সার্বিক পয়ঃনিষ্কাশন তদারকিসহ শহরের আধুনিকীকরণ করেন। এভাবেই তিনি তার এলাকার সার্বিক উন্নয়ন সাধন করেন। অনুরূপভাবে প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার ক্ষেত্রেও আমরা এই অবস্থার প্রতিফলন দেখি। তারা নদীতে বাঁধ দিয়ে এবং বন্যায় পানি সংরক্ষণ করে কৃষি কাজে ব্যবহার করত। জলসেচের জন্য নালা কেটে পানি এনেও তারা ফসল উৎপাদন, করত। বিশেষভাবে তারা সড়ক, কয়া খনন, পয়ঃপ্রণালির ব্যবস্থার মাধ্যমে যে উন্নয়ন ঘটায় তা আধুনিক নগর বিকাশের ঘটনায় দীপ্তিমান ও প্রজ্জ্বলিত। উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, উদ্দীপকের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিককরণের সাথে প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার নগর বিকাশ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা কোনটি?

পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা হচ্ছে মেসোপটেমীয় সভ্যতা।

#

চেয়ারম্যান সাহেব কোন সভ্যতার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকার উন্নয়ন করেছেন। ব্যাখ্যা কর।

চেয়ারম্যান সাহেব প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকার উন্নয়ন করেছেন।

উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা হলো সিন্ধু সভ্যতা। সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম রাখা হয় সিন্ধু সভ্যতা। নগরকেন্দ্রিক উন্নত জীবন প্রচলনের ক্ষেত্রে সিন্ধু সভ্যতার অবদান অসামান্য। যারা পাকা রাস্তা নির্মাণ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রভৃতির মাধ্যমে একটি উন্নতি নগরী প্রতিষ্ঠা করেছিল।উদ্দীপকেও এরূপ উন্নয়ন কর্মকান্ড লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা চেয়ারম্যান তার এলাকার উন্নয়নে নিজেই অংশগ্রহণ করেন। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার তদারকিসহ তার শহরের আধুনিকায়নের জন্য তিনি যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার কার্যক্রমেরই অনুকরণ। কেননা প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতায় উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবনের উদ্ভব ঘটেছিল। তারা ঘর-বাড়ি পোড়া মাটির বা রোদে পোড়ানো ইট দিয়ে তৈরি করত। তাদের নগরীর ভিতর দিয়ে পাকা রাস্তা ছিল। এছাড়া প্রত্যেকটি বাড়িতে খোলা যায়গা, কূপ ও স্নানাগার ছিল। পানি নিষ্কাশনের জন্য ছোট ছোট নর্দমাগুলি মূল নর্দমার সাথে সংযুক্ত করা হতো। আর নগর উন্নয়নের এ ধরনের কর্মকাণ্ড উদ্দীপকের চেয়ারম্যান প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার অনেকেই কাজে লাগিয়েছেন।