• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মাসব্যাপী ক্রেতা, বিক্রেতা, দর্শনার্থী, শিল্পী, সাহিত্যিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। উন্মুক্ত মঞ্চে প্রতিদিন আবৃত্তি, সঙ্গীত, প্রকাশনা উৎসব ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর সাহিত্যকর্মের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কারও এখান থেকে ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পদক, প্রত্যয়নপত্র ও নগদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করা হয়।

প্রাক-ইসলামি আরবের একেশ্বরবাদী সম্প্রদায়ের নাম কী?

প্রাক-ইসলামি আরবের একেশ্বরবাদী সম্প্রদায়ের নাম 'হানিফ'।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলা একাডেমি পুরস্কারের সাথে আরবের উকাজ মেলায় কোন পুরস্কারের তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

বাংলা একাডেমি পুরস্কারের সাথে প্রাচীন আরবের উকাজ মেলায় সেরা কবিতার জন্য প্রদত্ত পুরস্কারের তুলনা করা যায়।

মানবমনের শুদ্ধতম ভাবনার স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে সাহিত্যের মধ্য দিয়ে। এজন্য সাহিত্য চর্চা মানসিকতার পরিবর্তনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপক এবং ইসলামপূর্ব আরবের মধ্যে এ সাহিত্য চর্চার অনুসঙ্গটিই সাদৃশ্য স্থাপন করেছে।
প্রাচীন আরবের সাংস্কৃতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল কবিতা চর্চা। এক্ষেত্রে প্রাচীন আরবের অধিবাসীদের দক্ষতা, পারদর্শিতা ও ভাষাজ্ঞান ছিল অত্যন্ত উঁচু মানের। কাব্যপ্রীতি ছিল তাদের সাহিত্য প্রতিভার উজ্জ্বলতম দিক। মক্কার বাৎসরিক উকাজ মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল কবিতা প্রতিযোগিতা। প্রতিবছর এখানে কবিতা প্রতিযোগিতা হতো এবং শ্রেষ্ঠ কবিদের পুরস্কৃত করা হতো। নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোকে কাবাঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা হতো, যা সাবায়ে মুয়াল্লাকাত নামে পরিচিত ছিল। উদ্দীপকেও কবিতা প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরস্কার প্রদানের দিকটি লক্ষণীয়। এরূপ পুরস্কার কবি-সাহিত্যিকদের সাহিত্য চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং বলা যায়, এ পুরস্কারটি প্রাচীন আরবের উকাজ মেলার সেরা কবিতার জন্য প্রদত্ত পুরস্কারের সাথেই তুলনীয়।

#

তুমি কি মনে কর উদ্দীপকের মেলাটির মতো উকাজ মেলাও সাহিত্যনির্ভর হিল? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উকাজ মেলা বাংলা একাডেমির মেলার মতো সাহিত্যনির্ভর ছিল না বলে আমি মনে করি।

উকাজ মেলা ছিল আরব সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। সেখানে সাহিত্যের বাইরেও অনেক কিছুর উপস্থিতি ছিল, যা আরবের তৎকালীন সংস্কৃতির পরিচয় বহন করত। কিন্তু বাংলা একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত বইমেলা শুধু সাহিত্যনির্ভর।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মাসব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বই ক্রয়-বিক্রয়ের পাশাপাশি উন্মুক্ত মঞ্চে আবৃত্তি, সংগীত, প্রকাশনা উৎসব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাহিত্যকর্মের জন্য পুরস্কারও দেওয়া হয়। অর্থাৎ এ মেলার সব কর্মকাণ্ডই সাহিত্যনির্ভর। উকাজ মেলায়ও আরবের শ্রেষ্ঠ কবিদের নিয়ে কবিতা প্রতিযোগিতার আসর বসত। প্রতিযোগিতায় এক বা একাধিক কবিতা শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হতো। তবে উকাজ মেলা বাংলা একাডেমির মেলার মতো শুধু সাহিত্যনির্ভর ছিল না। এখানে সাহিত্য প্রতিযোগিতা ছাড়াও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন খেলা যেমন- জুয়া, লাঠি, মল্লযুদ্ধ, বিভিন্ন ধরনের নৃত্য-গীত ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হতো। এ মেলায় আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন পণ্যদ্রব্য প্রদর্শিত হতো। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীও ঐ মেলা থেকে আরবরা সংগ্রহ করত। এটি ছিল মোটামুটি আরব সংস্কৃতির সামগ্রিক চিত্র। সাহিত্যচর্চা ছিল শুধু এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

পরিশেষে বলা যায়, বাংলা একাডেমির মেলাটির ন্যায় 'উকাজ মেলা' কেবল সাহিত্যের গণ্ডিতেই আবদ্ধ ছিল না; বরং এর পরিসর ছিল বহুমাত্রিক।