• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

তানিয়া ডিসকভারি চ্যানেলে আফ্রিকার একটি আদিম মানব গোষ্ঠীর জীবন প্রবাহ দেখছিল। তাদের একটি স্বতন্ত্র শাসনপ্রণালি আছে। শাসন বিভাগের প্রধানকে তারা বলে 'চিংগুরা'। তার হাতে প্রচুর ক্ষমতা। তিনি তাদের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক জীবনের মালিক। তিনি রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, প্রধান বিচারপতি ও মৃত্যুর পরবর্তী জীবনেও তিনি বিচারক। তাই তারা নিজেদের জন্য ঘর বাড়ি না বানালেও তাদের সম্মানিত 'চিংগুরার' জন্য সুন্দর ঘরবাড়ি তৈরি করে। তার মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য তারা বানিয়েছে পৃথক ও আলাদা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত স্থাপনা।

কে মিসরকে নীল নদের দান বলেছেন?

ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস মিসরকে নীল নদের দান বলেছেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'চিংগুরা' ও তার প্রভাব-প্রতিপত্তির মাধ্যমে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'চিংগুরা' ও তার প্রভাব-প্রতিপত্তির মাধ্যমে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার ফারাও এর অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতার দিকটি ফুটে উঠেছে।
প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় শাসনব্যবস্থার কেন্দ্র বিন্দুতে সাধারণত একজন ব্যক্তি অবস্থান করতেন। যিনি ফারাও নামে পরিচিত। রাষ্ট্রের সব কর্মকাণ্ড তার নির্দেশনা অনুসারে পরিচালিত হতো। এমনকি ফারাওকে আধ্যাত্মিক জগতেরও প্রধান বলে গণ্য করা হতো। উদ্দীপকে ফারাও এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে নির্দেশিত ডিসকভারি চ্যানেলে দেখা যায়, আফ্রিকার একটি আদিম মানবগোষ্ঠীর বিচার বিভাগের প্রধানকে চিংপুরা বলা হতো। যিনি ছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, প্রধান বিচারপতি। এমনকি তিনি মৃত্যুর পরবর্তী জীবনেরও বিচারক। চিংগুরার মধ্যে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার ফারাও এর প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। কেননা এ সভ্যতার শাসক ফারাও বিপুল ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি ছিল বিশ্ব জোড়া। তারা শুধু পৃথিবীর নয় আধ্যাত্মিক জগতেরও প্রধান ছিলেন। বিচারব্যবস্থায়ও ফারাও ছিলেন প্রধান ভূমিকায়। তাই বলা যায়, চিংগুরার কর্মকাণ্ডে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার শাসক ফারাও এর প্রভাব প্রতিপত্তির প্রতিফলন ঘটেছে।

#

উভয়ের মৃতদেহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এক হলেও সংরক্ষণের জন্য নির্মিত স্থাপনার বৈশিষ্ট্য কি এক? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

না, উভয়ের মৃতদেহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এক হলেও সংরক্ষণের জন্য নির্মিত স্থাপনার বৈশিষ্ট্য এক নয়।

প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম দিক ছিল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হওয়া। তারা বিশ্বাস করত মৃত মানুষ কবরে গেলে তার দেহে আবার আত্মা ফিরে আসে। কিন্তু দেহ পচে গেলে আত্মার ফিরে আসতে সমস্যা হয়। এ জন্য তারা দেহকে মমি করে রাখত। যেখান থেকে পরবর্তীতে পিরামিডের উদ্ভব ঘটে। উদ্দীপকেও দেহ মমি করে রাখা এবং পিরামিডের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে নির্দেশিত ডিসকভারি চ্যানেলে দেখা যায়, আফ্রিকার একটি আদিম মানবগোষ্ঠী তাদের বিচারক চিংগুরার মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে। তারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য চিংগুরার জন্য সুন্দর ঘরবাড়ি নির্মাণ করে। অনুরূপভাবে প্রাচীন মিসরীয়রাও তাদের শাসক ফারাও এর দেহ সংরক্ষণ করত চিংগুরা এবং ফারাও এর দেহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এক। কেননা তারা বিশ্বাস করে মৃত্যুর পর কবরে দেহে আবার আত্মা ফিরে আসবে। এ কারণে তারা মৃতদেহকে সংরক্ষণ করে। কিন্তু তাদের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য নির্মিত স্থাপনার মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। কেননা চিংগুরার জন্য সুন্দর ঘর বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, পক্ষান্তরে ফারাওদের জন্য মিসরীয়রা তৈরি করত পাথরের পিরামিড। পিরামিডের গঠন কাঠামো এতই উন্নত যে শতশত বছর পরেও তা টিকে আছে।
উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, উদ্দীপকের চিংগুয়া ও ফারাও এর দেহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এক হলেও সংরক্ষণের জন্য নির্মিত স্থাপনা ভিন্ন ছিল।