- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- প্রাক ইসলামি আরব
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
আরব জাতির শ্রেণিবিন্যাস ব্যাখ্যা করো।
আরব জাতি তিন শ্রেণিতে বিভক্ত। সেগুলো হলো আরব-ই-বায়দা, আরব-ই-আরিবাহ এবং আরব-ই-মুস্তারিবাহ। আরবের আদিম অধিবাসীদের আরব-ই-ৰায়দা বলে। আদ, সামুদ, তামস, জাদীস, জারহাম বংশ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। পরবর্তী জাতিগুলোর আবির্ভাবে এ জাতিগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়। আরব-ই-বায়দার ধ্বংসের পর যে জাতিগোষ্ঠী আরবে বসতি স্থাপন করেছিল তারাই আরব-ই-আরিবাহ নামে পরিচিত। উত্তর আরবের অধিবাসীদের আরব-ই-মুস্তাবিরাহ বলা হয়।
উদ্দীপকের আলোকে পাঠ্যবইয়ের সাদৃশ্যপূর্ণ স্থানের আবহাওয়া বর্ণনা দাও।
উদ্দীপকে বর্ণিত অঞ্চলের আবহাওয়ার সাথে আরব উপদ্বীপের আবহাওয়া সাদৃশ্যপূর্ণ। ভৌগোলিক দিক দিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ আরব ভূখণ্ড বিভিন্ন সাগর-মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত হলেও এর আবহাওয়া ও জলবায়ু অত্যন্ত শুষ্ক এবং উত্তপ্ত। অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর অভাবে এ অঞ্চলটি উত্তপ্ত মরু অঞ্চল, শুষ্ক নিষ্করুণ, রৌদ্রদগ্ধ, গাছপালা শূন্য এবং লু হাওয়া প্রবাহিত। অনুরূপ আবহাওয়া উদ্দীপকের অঞ্চলেও লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গে খরার কারণে কোনো শস্যাদি জন্মায় না। এখানকার আবহাওয়াও বেশ প্রখর। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এখানে মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাত হয়। আরব মরুভূমিতে একই অবস্থা বিরাজমান। আরব ভূমির অধিকাংশই বৃষ্টিহীন প্রান্তর। তাই এর আবহাওয়ায় অনাবৃষ্টির রুক্ষতাই প্রবল। দক্ষিণের সমুদ্র থেকে জলীয় বাষ্প ভেসে এলেও মরুভূমির তপ্ত হাওয়া তা শুষে নেয়। তাই ঐ মেঘ যখন আরবের প্রান্তে এসে পৌছে তাতে আর জলীয় বাষ্প থাকে না। শুষ্ক আবহাওয়া, অনাবৃষ্টি ও ভূমির লবণাক্ততা প্রভৃতির মতো প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশের সঙ্গে অহরহ সংগ্রাম করেই আরববাসীদের জীবন গড়ে উঠেছে।

