• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • প্রাক ইসলামি আরব
প্রাক ইসলামি আরব

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব এজাজ আহমদ সাহেব টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক হিসেবে আগমন করেন। 'মৌলভীবাজারের দুঃখ' বলে পরিচিত মনু নদীতে প্রতি বছর বন্যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এতে করে উক্ত এলাকার জনগণের কষ্টের সীমা থাকত না। জনাব এজাজ আহমদ সাহেব মনু নদীতে বাধ নির্মাণ করে বন্যার পানিকে সেচ কার্যে ব্যবহার করে মৌলভীবাজারে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেন। মৌলভীবাজার এখন এক সমৃদ্ধশালী জেলায় পরিণত হয়েছে। মনু নদীকে এখন মৌলভীবাজার জেলার প্রাণ ও উন্নয়নের চাবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

জাহেলিয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?

জাহেলিয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ অজ্ঞতা, বর্বরতা, তমসা, অন্ধকার।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

বেদুইনের গোত্রপ্রথা সম্পর্কে কী জান?

বেদুইনদের গোত্রপ্রথা সুনির্দিষ্ট কাঠামো ও নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হতো। বেদুইনগণ পরিবারবন্ধ হয়ে বসবাস করত তাঁবুতে। কয়েকটি তাঁবু নিয়ে গঠিত হতো শিবির বা হাই এবং একাধিক শিবির বা হাইয়ের সদস্যরা মিলে গঠন করে গোষ্ঠী বা কওম, প্রধান ছিল শেখ। প্রত্যেক বেদুইন গোত্রের এক একটি নির্দিষ্ট এলাকা রয়েছে যা 'জিরা' নামে পরিচিত। বৃষ্টিপাত ভালো না হলে তারা প্রতিবেশী জিরায় গমন করত এবং এভাবেই গোত্রে গোত্রে বন্ধুত্ব তৈরি হতো। কখনও কোনো গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হলে তা বংশপরম্পরায় চলতে থাকত এবং রক্তের বদলে রক্তই ছিল মরুভূমির আইন।

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত নদীতে বাঁধ দিয়ে সেচ কার্যের উদ্ভাবন কৃষি উন্নতির কোন সভ্যতার সহিত সম্পৃক্ত? আলোচনা করো।

মৌলভীবাজারের মনু নদীতে বাঁধ দিয়ে সেচ কার্যের উদ্ভাবনের ন্যায় মিসরীয় সভ্যতা কৃত্রিম সেচ পদ্ধতির উদ্ভাবন করে কৃষিতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।
মিসরীয় সভ্যতা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর লীলাভূমি হিসেবে খ্যাত। প্রাচীন মিসরই ছিল বিশ্বের সকল উন্নতির অগ্রদূত। মিসরের এ উন্নতির পেছনে নীল নদের ভূমিকাই অগ্রগণ্য। কৃষিক্ষেত্রে নীল নদ উদার ভূমিকা পালন করার কারণেই মিসরীয় সভ্যতা বিশ্ব ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। নদীর দানে কৃষির উন্নতির এমন দৃষ্টান্ত উদ্দীপকেও লক্ষণীয়। মৌলভীবাজারের মনু নদীতীরের মানুষ নদীর অববাহিকায় সেচ কাজ, ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে কৃষি সম্পর্কিত সকল কাজ করে থাকে। ফলে অন্যান্য সকল দিকের মতো কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নও মৌলভীবাজারের মানুষকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রে নীল নদের অবদানের ফলে মিসরেও এমন দৃশ্য দৃষ্টিগোচর হয়। প্রতিবছর গ্রীষ্মকালের শুরুতে আফ্রিকার মধ্য অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট প্লাবনে নীল নদের দুকূল ছাপিয়ে যেত। এ সময় পাহাড়ি মাটি, বরফগলা পানি ও অজস্র জলজ উদ্ভিদ আবাদি জমিতে এসে পড়ত। মাসব্যাপী স্থায়ী এ বন্যার সময় গাছ-গাছড়া পচে গিয়ে এবং এর সাথে জলধারার পাহাড়ি লাল পাথুরে মাটি মিশে এক উর্বর পলিমাটির সৃষ্টি হতো। প্লাবন শেষে বন্যার উর্বর পলি মাটিতে নীল নদের উভয় তীর দৈর্ঘ্যে ৬০০ মাইল এবং প্রন্থে ১০ মাইল পর্যন্ত ভরে যেত। এ কারণে মিসরের জমি খুব উর্বর হতো। তাই মানুষ খুব সহজেই নরম মাটিতে ফসল ফলাতে পারত। ফলে এখানে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। আর কৃষি উৎপাদন প্রাচীন মিসরীয়দের প্রধান জীবিকা হওয়ায় এ সময় কৃষিকে কেন্দ্র করেই মিসর সমৃদ্ধিশালী হয়ে উঠেছিল।

উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রমাণিত হয় যে, মৌলভীবাজারের ন্যায় নদীর অপার দানকে কাজে লাগিয়ে মিসরীয়রা কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।