• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ইহাতে ১৫ বার সংশোধনী আনা হলেও ইহা মানুষের সব সমস্যা সমাধান করতে পারেনি। কিন্তু দেড় হাজার বছর পূর্বে আরব দেশে যে সংবিধান প্রণীত হয় তা রক্তের পরিবর্তে ধর্মের ভিত্তিতে একটি সাধারণ উম্মাহ গঠন করতে ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন সংবিধানের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধান প্রণয়নের সাথে মহানবি (স)-এর মদিনা সনদ প্রণয়নের মিল পরিলক্ষিত হয়।

একটি দেশকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার মূল চাবিকাঠি হলো সংবিধান। সংবিধানে লিখিত নীতিমালা অনুযায়ী মানুষের মৌলিক অধিকারসহ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করাই একটি সংবিধানের মূল লক্ষ্য থাকে রাসুল (স) প্রণীত মদিনা সনদের ধারায় যেমন এ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়, তেমনি উদ্দীপকের সংবিধানেও এগুলো লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন। এ সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকার, ধর্মীয় অধিকারসহ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হয়। একইভাবে বিশ্বের সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান মদিনা সনদের ধারায় রাসুল (স) মদিনাকে একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি সকল সম্প্রদায়কে নিয়ে একটি সাধারণ জাতি গঠন করে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করেন। প্রত্যেকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষাসহ অসহায় ও দুর্বলদের সর্বতোভাবে সহযোগিতার বিধান রাখা হয় এ সনদে। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রণীত এ সংবিধানের মাধ্যমে মহানবি (স) মদিনায় বসবাসরত বিবদমান সকল সম্প্রদায়কে সদ্ভাব ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে সক্ষম হয়েছিলেন। উল্লিখিত বিষয়গুলোই উদ্দীপকের সংবিধানের সাথে মদিনা সনদের সাদৃশ্য রচনা করেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()