• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

দৈনিক ইত্তেফাক আয়োজিত সংবিধান সংশোধন শীর্ষক সেমিনারে আসাদ সাহেব দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সব শ্রেণির মতামতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন মহানবি (স) মদিনায় হিজরতের পর সেখানে অবস্থানরত সব ধর্ম ও গোত্রের মধ্যে বিবাদ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে জনগণকে নিয়ে একটি শাসনতন্ত্র রচনা করেন। এর মাধ্যমে সেখানে একটি স্থানীয় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স)-এর ভূমিকা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স) মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।

মহানবি (স) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের পর লক্ষ করলেন মদিনার বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত সর্বদা লেগেই থাকে। মহানবি (স) উপলব্ধি করেন যে, মদিনা ও আশপাশে বসবাসকারী ইহুদি, খ্রিস্টান ও পৌত্তলিকদের মধ্যে সম্ভাব ও সম্প্রীতি স্থাপন করা ছাড়া একটি সুসংহত রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়। এজন্য মহানবি (স) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন।

উদ্দীপকে মদিনা সনদ সম্পর্কে আলোচনা পরিলক্ষিত হয়ে। আর মদিনায় বসবাসরত ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক, আনসার, মুহাজিরসহ সর্বসাধারণের অধিকার রক্ষায় মদিনা সনদের গুরুত্ব অপরিসীম। মদিনা সনদ মদিনার সকল মানুষের, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করে। এই মদিনা সনদই মদিনাবাসীর মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে, শতধাবিভক্ত মদিনাবাসী মুসলমান ও অমুসলমান সম্প্রদায়কে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে বিপদে-আপদে পাশে থাকতে অনুপ্রাণিত করে। মদিনায় বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে গোত্রীর দ্বন্দ্ব প্রকটভাবে বিদ্যমান ছিল। মদিনার ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু মহানবি (স) মদিনায় হিজরতের পর মদিনা সনদ প্রণয়নের মাধ্যমে সকল দ্বন্দ্ব সংঘাত বিদূরীত করে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় বিশৃঙ্খলপূর্ণ আরবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবি (স) ছিলেন অগ্রনায়ক।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()