• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

শফিক ও রাজিব ইসলামের এক যুদ্ধ নিয়ে কথা বলছিল। শফিক জানায়, এই যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধ। রাজিব বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করে এবং বলে, এই যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয় ছিল অসত্যের ওপর সত্যের এবং পৌত্তলিকতার ওপর তৌহিদের। এ যুদ্ধে কোরাইশদের শক্তি ও অহংকার খর্ব হয়।

উদ্দীপকে শফিক তোমার পঠিত কোন যুদ্ধের কথা বলেছে? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের শফিক আমার পঠিত বদর যুদ্ধের যুদ্ধের কথা বলেছে।

উদ্দীপকের শফিক ও রাজিব ইসলামের ইতিহাসের এক যুদ্ধ নিয়ে কথা বলে। যেটা ছিল মুসলমানদের ইতিহাসে প্রথম যুদ্ধ। এই তথ্য থেকে প্রমাণিত হয় যে, যুদ্ধটি বদরের যুদ্ধ।

ইসলাম প্রচারে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে এবং কুরাইশদের অত্যাচারে আল্লাহর নির্দেশে মহানবি (স) ও অন্যান্য মুসলমানরা মক্কা ছেড়ে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন। এরপর মুসলমানদের ওপর কুরাইশদের ক্ষোভযেমন বৃদ্ধি পেয়েছিল তেমনি মুসলমানদের সাথে তাদের শত্রুতাও সৃষ্টি হয়েছিল। এছাড়া মদিনার ইহুদি নেতা আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের মহানবি (স)কে মদিনা থেকে বহিষ্কারের ষড়যন্ত্র, মদিনার ইহুদিদের বিশ্বাসঘাতকতা, আবু সুফিয়ানের মিথ্যা প্রচারণার কারণে এ শত্রুতা আরও বেড়ে যায়। এর ফলে ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ বদর প্রান্তরে মক্কার কুরাইশ ও মদিনার মুসলমানদের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ নামে খ্যাত। এ যুদ্ধে মুসলমানরা জয়লাভকরে। এজন্য বদর যুদ্ধকে ইসলামের প্রথম বিজয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত শফিক এ যুদ্ধের কথাই উল্লেখ করেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

হিজরত কী?

মক্কাবাসীর অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর নির্দেশে রাসুল (স)-এর মক্কা থেকে মদিনায় গমনকে হিজরত বলা হয়।

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিবের মতামতটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিবের মতামতটি যথার্থ।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময়ই ন্যায়ের জয় হয়। আর অসত্য কখনোই সত্যকে পরাজিত করতে পারে না। এজন্য সব সময় সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে হয়। বদরের যুদ্ধের ঘটনা আমাদেরকে এ শিক্ষাই দেয়।

বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের জয় লাভ ছিল অজ্ঞতার বিরুদ্ধে জ্ঞানের বিজয়, অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের বিজয়, বেইমানের বিরুদ্ধে ইমানের বিজয় ও পৌত্তলিকতার ওপর তৌহিদের বিজয়। এটি ছিল ইসলাম ধর্মের এক বিশেষ পরীক্ষার দিন। এ যুদ্ধে ইসলাম ও পৌত্তলিকতার চূড়ান্ত মীমাংসা হয়ে যায় এবং এতে মুসলিমরা জয় লাভ করে। সামান্য সংখ্যক মুসলমান সহস্রাধিক কুরাইশদের সাথে জয়লাভ করে আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হন। তাদের মনোবল, শক্তি, সাহস ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়। তারা বুঝতে পারেন সত্যের পথে অবিচল থাকলে জয় আসবেই। আর এ থেকে আমরাও সত্য, ন্যায় ও মঙ্গলের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা লাভ করি। এক্ষেত্রে বদরের যুদ্ধের ঘটনাটি মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয়।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজিবের মতামত হলো বদরের যুদ্ধ ছিল অসত্যের ওপর সত্যের, পৌত্তলিকতার ওপর তৌহিদের বিজয় যা যথার্থভাবে প্রমাণিত হয়।