- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব মতিউর রহমান নামক এক ধর্ম প্রচারক নিজ এলাকার মানুষের অত্যাচারে অন্য এলাকায় চলে যান এবং সেখানে গিয়ে M নামক একটি সনদ প্রণয়ন করেন। এ সনদ ছিল বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত দলিল এবং এক যুগান্তরকারী বিপ্লব।
উদ্দীপকের সনদের সাথে পাঠ্যবইয়ের কোন সনদের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত হযরত মুহাম্মাদ (স)-এর প্রণীত মদিনা সনদের মিল রয়েছে।
ইসলামের ইতিহাসে মদিনা সনদের প্রবর্তন একটি যুগান্তকারী ঘটনা সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় দিক দিয়ে এটি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ সংবিধানের মাধ্যমে সকল মানুষের সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে ধর্মীয় স্বাধীনতাও প্রদান করা হয়েছে। উদ্দীপকেও এ সনদের প্রতিফলন লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের মহামানবের প্রবর্তিত সংবিধানের মাধ্যমে তার রাষ্ট্রে বসবাসকারী সকল ধর্মের লোকের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত হয় পরবর্তী পৃথিবীর সব সংবিধানই এ সংবিধানের আলোকে রচিত। উদ্দীপকে মূলত মহানবি (স)-এর মদিনা সনদকেই নির্দেশ করা হয়েছে। মুহাম্মদ (স) মদিনায় হিজরতের পর আনসার, মুহাজির এবং সকল গোত্রের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপনের লক্ষ্যে একটি সনদ প্রণয়ন করেন, যা মদিনা সনদ নামে পরিচিত। এ সনদের মাধ্যমে মুসলমান ও অমুসলমানদের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়। এ সনদে বলা হয় মদিনার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকেরা একে অপরের ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এ ধারার মাধ্যমে মহানবি (স)-এর ধর্মীয় সহিষ্ণুতারই প্রমাণ মেলে। পরবর্তীকালের পৃথিবীর সকল সংবিধানই এ সনদের থেকে শিক্ষা নিয়ে তাদের সংবিধান প্রণয়ন করেছে। উদ্দীপকেও এ চিত্র ফুটে উঠেছে।

