- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সামাজিক পরিবেশ স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু রাখার জন্য তখন একটি সংবিধান প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়ে। দেশের সকল মানুষ ও সম্প্রদায়ের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ রেখে সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। এতে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের অধিকারের পাশাপাশি মৌলিক মানবাধিকারও নিশ্চিত হয়।
হুদায়বিয়ার সন্ধির ধারাগুলো কী?
হুদায়বিয়ার সন্ধির ১০টি ধারা ছিল। যে ধারাগুলোতে মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করাসহ জানমালের নিরাপত্তা বিধানের কথা বলা হয়েছে।
মুসলমান ও কুরাশইদের মধ্যে ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। এ সন্ধিতে পরবর্তী দশ বছর যুদ্ধ বন্ধ থাকবে এবং যেকোনো গোত্র ইচ্ছা করলে মুসলমান বা কুরাইশদের সাথে সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হতে পারবে এ কথা বলা হয়। এছাড়া মুসলমানগণ হজ করতে পারবে কিন্তু তিনদিনের বেশি মক্কায় অবস্থান করতে পারবে না এবং এ সময়কালে কুরাইশরা মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করবে।
এ সন্ধিতে বলা হয় চুক্তির মেয়াদকালে মুসলমান-কুরাইশরা একে-অপরের কোনো ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।

