• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ অবিশ্বাসীদের ষড়যন্ত্র জানতে পেরে, ঐশী বাণী প্রাপ্ত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব পালনের নিমিত্তে সর্বাধিক বিশ্বাসী বন্ধুতুল্য শিষ্যকে নিয়ে নিজ জন্মভূমি জন্মভূমি ছেড়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গিয়ে পৌঁছেন। এতে তার ঐশী বিধান পরিপূর্ণতা লাভ করে। উক্ত প্রস্থানটি একটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ ঘটনা।

হযরত মুহাম্মদ (স)-এর পিতার নাম কী?

হযরত মুহাম্মদ (স)-এর পিতার নাম আবদুল্লাহ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

খেজুর বৃক্ষকে 'রানি বৃক্ষ' বলা হয় কেন?

বিভিন্ন উপকারিতার জন্য খেজুর বৃক্ষকে 'রানি বৃক্ষ' বলা হয়।

খেজুর ছিল তৎকালীন আরববাসির প্রধান খাদ্য। এর রস তাদের প্রিয় পানীয়। সে দেশে গৃহনির্মাণের কাজে, মাদুর ও দড়ি তৈরি, জ্বালানি কাঠৰূপে এবং বিভিন্ন কাজে খেজুর গাছ ব্যবহার করা হতো। এজন্যই খেজুর গাছকে তারা 'রানি বৃক্ষ' নামে ডাকত।

#

হিজরতের ৩টি কারণ ব্যাখ্যা করো।

মক্কার কাফিরদের অমানষিক নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে মহানবি (স)-এর মদিনায় গমন করাকে হিজরত বলা হয়।

হিজরতের পিছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে নিম্নে ৩টি আলোচনা করা হলো-

কুরাইশদের বাধা সত্ত্বেও মহানবি (স) অবিরামভাবে ইসলাম প্রচার চালু রাখায় সর্বশেষ নির্যাতন হিসেবে তারা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এজন্য বিভিন্ন গোত্রের যুবকদের নিয়ে দল গঠন করা হয়। তাদের এ সিদ্ধান্ত জানতে পেরে মহানবি মদিনায় হিজরত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কাফিরদের এরূপ সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হলে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবিকে মদিনায় হিজরত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

এছাড়া পরিবেশগত কারণে মক্কার জনগণ বুক্ষ ও বদমেজাজি ছিলেন। তারা কোনোকিছুকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, চিন্তাশীল মদিনাবাসী মহানবি (স)-কে সহজেই গ্রহণ করে এবং মদিনায় আমন্ত্রণ জানায়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ অবিশ্বাসীদের ষড়যন্ত্র জানতে পেরে, ঐশী বাণী প্রাপ্ত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বাধিক বিশ্বাসী বন্ধুতুল্য শিষ্যকে নিয়ে নিজ জন্মভূমি ছেড়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গিয়ে পৌছান। যা হিজরতে নির্দেশ করে।

#

হিজরতের ফলাফল আলোচনা করো।

নিম্নে হিজরতের ফলাফল আলোচনা করা হলো-

হিজরতের ফলে মহানবি (স)-এর জীবনধারায় পরিবর্তন আসে এবং তিনি সুস্থ পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ লাভ করেন। ঐতিহাসিক P.K. Hitti বলেন, হিজরতের সাথে সাথে হযরতের মক্কা জীবনের অবসান ও মদিনা জীবনের সূচনা এবং এখানেই মুহাম্মদ (স)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়।

মহানবি (স) মদিনায় হিজরত করলে মদিনাবাসী তাঁকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বরণ করে নেয়। এরপর মদিনায় ইসলাম দ্রুতগতিতে প্রসার লাভ করে এবং অল্প সময়ের মাঝে সমগ্র আরবজাহান মুসলমানদের অধীনে আসে। হিজরতের পরপরই মুহাম্মদ (স) মদিনাতে মুসলমানদের মিলনকেন্দ্র হিসেবে মসজিদে নববি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও মদিনাবাসী মহানবির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে তাদের নগরীর নাম রাখেন 'মদিনাতুন্নবি' বা নবির শহর। এতে মদিনাবাসীর সম্মান অনেক বেড়ে যায়। মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে মদিনার লোকজন দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করে এবং মদিনাবাসী দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ও শত্রুতা ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। হিজরতের ফলেই মহানবি (স) বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান 'মদিনা সনদ' প্রণয়ন করেন।

সার্বিক আলোচনার মাধ্যমে বলা যায়, মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। যা হিজরতকে নির্দেশ করে।

পরিশেষে বলা যায়, মহানবি (স) এর হিজরতের ফলে ইসলামের প্রসার ও প্রচার বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।