• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)
হযরত মুহাম্মদ (স.) (৫৭০-৬৩২ খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

যাদবপুর ও মাধবপুর গ্রামের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা। কিছুদিন পূর্বে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তুলনামূলকভাবে অধিক শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও যাদবপুর গ্রাম মাধবপুরের কাছে হেরে যায়। এর প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য এক বছর ধরে যাদবপুর যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ব্যাপক শক্তি ও অস্ত্র নিয়ে যাদবপুর মাধবপুর গ্রামের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। মাধবপুর গ্রামের প্রধান জুনায়েদ খান কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫০ জন লাঠিয়ালকে পাহারা দিতে বলে এবং যে কোন অবস্থাতে উক্ত স্থান ত্যাগ করতে নিষেধ করে। যুদ্ধে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও নেতার আদেশ অমান্য করে উক্ত স্থান ত্যাগ করায় মাধবপুরবাসী পরাজিত হয়।

নাখলার খণ্ড যুদ্ধকে বদরের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ বলা হয় কেন?

নাখলার খণ্ডযুদ্ধের ফলেই কুরাইশরা আক্রমণমুখী হয়ে পড়েছিল বলে এটিকে বদর যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ বলা হয়।

কুরাইশদের ধ্বংসাত্মক কার্যাবলি থেকে মদিনা রাষ্ট্রকে রক্ষার উদ্দেশ্যে হজরত মুহম্মদ (স) আবদুল্লাহ ইবনে জাহনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি গোয়েন্দা দল দক্ষিণ আরবে প্রেরণ করেন। কিন্তু আব্দুল্লাহ ভুলক্রমে মক্কাগামী কুরাইশদের একটি কাফেলাকে আক্রমণ করে বসেন। ফলে নাখলায় একটি খণ্ডযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে কুরাইশ নেতা আমর নিহত ও অপর দুই ব্যক্তি বন্দি হয়। আমর আল হাজরামির মৃত্যু মক্কাবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং এটিই বদরের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ