- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- খুলাফায়ে রাশেদিন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
গত নির্বাচনে জনাব এনায়েতুল্লাহ মজুমদার পেরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি শাসনকার্যে জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন। তিনি তার পরিষদের সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি পরামর্শ সভা গঠন করেন। এর ফলে শাসনকার্যে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটতে থাকে।
ঐ আমলের গণতন্ত্রের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
হযরত ওমর (রা)-এর শাসনকাল ছিল আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি।
হযরত ওমর (রা)-এর শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক, তার চোখে সকল প্রজা সমান ছিল। ধনী-গরিব, মুসলিম-অমুসলিম, নারী-পুরুষের কোনো প্রকার পার্থক্য তিনি করতেন না। তিনি সকলকে অপরাধী আর নির্দোয এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করতেন। অপরাধী হওয়ার কারণে কোনো মুসলমান তার আত্মীয় হলেও তার রক্ষা ছিল না, শাস্তি তাতে পেতেই হতো। ওমর (রা) নিজেকে একজন সাধারণ মানুষের মর্যাদাই দিতেন। খলিফা হওয়ার দাম্ভিকতা তার মাঝে ছিল না। তিনি সকলের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। গণতন্ত্রের অন্যতম দিক হলো-জনগণের মতামতের প্রাধান্য এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থা। তিনি খলিফা হওয়ার কারণে স্বেচ্ছাচারী কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তিনি শাসন পরিচালনা করতেন। বিচারব্যবস্থা ছিল স্বাধীন। এই বিচারব্যবস্থায় তিনি কারও প্রতি অনুরাগ কিংবা বিরাগ প্রকাশ করতেন না।
ওমর (রা) নিজেকে কখনই সকল ভুলের উর্ধ্বে মনে করতেন না। তিনি "ছিলেন গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলে অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হয়েছেন।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
হযরত ওমর (রা) কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
হযরত ওমর (রা) ৫৮৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

