• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • খুলাফায়ে রাশেদিন
খুলাফায়ে রাশেদিন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

একজন মহাপুরুষ দুনিয়ায় আগমন করে অন্ধকারাচ্ছন্ন মানুষকে আলোর দিশা দেখান। তিনি নতুন আদর্শ প্রচারকালে মি. 'ক' বয়স্কদের মধ্যে সবার আগে এই আদর্শ গ্রহণ করেন। মি. 'ক' ছিলেন সম্পদশালী। তিনি তার সম্পদ নতুন আদর্শ প্রচারে ব্যয় করেন। তাদের মতের অনুসারী অনেক ক্রীতদাসকে তার অর্থ দিয়ে ক্রয় করে মুক্ত
করেন। মহাপুরুষের মৃত্যুর পর নতুন আদর্শটি তিনি টিকিয়ে রাখেন।

মি. 'ক' মহানবি (স)-এর কোন সাহাবির প্রতিচ্ছবি? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের মি. 'ক' আমার পাঠ্যবইয়ের মহানবি (স)-এর বিশ্বস্ত সাহাবি আবু বকর (রা)-এর প্রতিচ্ছবি।

আবু বকর (রা) মহানবি (স)-এর বিশ্বস্ত সাহাবি ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। রাসূল (স) ইসলাম প্রচার শুরু করলে বয়স্কদের মধ্যে তিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। এছাড়া আবু বকর (রা) ইসলাম প্রচারে নিজের সম্পদ ব্যয় করেন, যা উদ্দীপকে মি. 'ক' ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। আবু বকর (রা) সব সময় নবিজির পাশে ছায়ার মতো থাকতেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবি (স)-এর ওফাতের পর ইসলাম ধর্মের জন্য গুরুতর দুর্দিন শুরু হয়; অনেকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে আগের ধর্মে ফিরে যায়, এছাড়া অনেক ভণ্ডনবির আবির্ভাব হয়। এ পরিস্থিতিতে সব সাহাবির সম্মতিক্রমে আবু বকর (রা) মুসলমানদের নেতা অর্থাৎ খলিফা নির্বাচিত হন। তিনি খলিফা নির্বাচিত হয়েই স্বধর্মত্যাগী ও ভণ্ডনবিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এছাড়া আবু বকর (রা) সম্পদশালী ছিলেন। ইসলাম প্রচার ও ক্রীতদাসদের মুক্ত করতে তিনি নিজ সম্পদ ব্যয় করেন। তার সময়েই সমগ্র কুরআন একত্রে গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ হয় এবং এ মহান কাজের জন্য তাকে ইসলামের ত্রাণকর্তা বলা হয়। সর্বোপরি আবু বকর (রা) ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ। মহানবি (স)-এর কাছেও তিনি ছিলেন প্রিয় পাত্র, তার অসুস্থতায় আবু বকর (রা) ইমামতি করতেন। হযরত উমর (রা) বলেন, 'ইসলামের সেবায় আবু বকরকে কেউ অতিক্রম করতে পারেনি।' তাই ইসলামের ইতিহাসে আবু বকর (রা)-এর অবস্থান সুউচ্চ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

ইসলামের ৪র্থ খলিফা কে?

ইসলামের ৪র্থ খলিফা হযরত আলী (রা)।

#

রিদ্দার যুদ্ধ বলতে কী বোঝায়?

ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা) স্বধর্মত্যাগী এবং ভন্ডনবিদের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ পরিচালনা করেন, তাই ইতিহাসে রিদ্দার যুদ্ধ নামে পরিচিত।

আরবি শব্দ 'রিদ্দা অর্থ স্বধর্ম ত্যাগ বা দলত্যাগ। রাসুল (স)-এর ওফাতের পর বিভিন্ন গোত্রের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ ইসলাম ত্যাগ এবং খলিফার আধিপত্যকে অস্বীকার করে ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সুসংঘবদ্ধ আন্দোলন পরিচালিত করে। অনেকে নিজেদের নবি দাবি করে। এই সব ভণ্ডনবির বিরুদ্ধে পরিচালিত আন্দোলন স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন নামে পরিচিত এবং তাদের বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অভিযানকে রিদ্দার যুদ্ধ বলে।