- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- খুলাফায়ে রাশেদিন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
সিরাজগঞ্জ জেলার রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান। তিনি অত্যন্ত সৎ ও কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তি। তিনি চেয়ারম্যান হয়ে জনগণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। তিনি জনগণের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা এবং সুখ-শান্তি আনয়নে সচেষ্টা হন। তিনি রাতের বেলায় ছদ্মবেশে মানুষের অবস্থা জানার চেষ্টা করেন নিজে খাদ্যের বোঝা বহন করে ক্ষুধার্ত ও দরিদ্র এলাকাবাসীদের কাছে পৌঁছে দিতেন।
চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের কর্মকাণ্ড সমাজে কীরূপ প্ৰভাৰ বিস্তার করে? বিশ্লেষণ করো।
চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে।
আমরা জানি, হযরত ওমর (রা) খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর সামাজিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ব্যবস্থাসমূহের দ্রুত বিকাশ ঘটে। গণতন্ত্র ও গণমানুষের কল্যাণ সাধনই ছিল তাঁর শাসনব্যবস্থার ভিভিমূল। তিনি প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম পুলিশ বাহিনী গঠন করেন। ন্যায়নীতির জন্য তিনি সারা দুনিয়ায় স্মরণীয় হয়ে ওঠেন। এ মহান মানুষকে অনুসরণ করেই চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
আব্দুল মান্নান অত্যন্ত সৎ ও কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তি। তিনি জনগণের দুঃখ-দুর্দশা দূর এবং সুখ-শান্তি আনয়নে সচেষ্ট ছিলেন। এমনকি রাতের বেলায় ছদ্মবেশে মানুষের অবস্থা জানার চেষ্টা করেন। ক্ষুধার্ত ও দরিদ্র মানুষের নিকট খাদ্যের বোঝা বহন করে পৌঁছে দেন। তার এসব কার্যক্রম মানুষকে ভাবিয়ে তোলে। তাই মানুষও তাকে খুব সম্মান ও শ্রদ্ধা করে।
হযরত ওমর (রা) এর মতো আব্দুল মান্নান সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নানা জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তার সুশাসনের কল্যাণে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সুতরাং এটা বলা যায়, তার শাসননীতি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
'বায়তুল মাল' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
'বায়তুলমাল' ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা) প্রতিষ্ঠা করেন।
খুলাফায়ে রাশেদিনের প্রতি খারেজিদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল?
খারেজিরা অত্যন্ত গণতন্ত্রমনা ছিলেন।
খারেজিরা খলিফা হযরত আবু বকর (রা) ও খলিফা হযরত ওমর (রা)-কে খিলাফতের ন্যায্য খলিফা বলে মনে করলেও হযরত ওসমান ও আলীকে খলিফা বলে মনে করে না। তাদের মতে খলিফাকে সমগ্র মুসলিম জাহান কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে এবং তা কোনো ব্যক্তির বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এ কারণে তারা আলী ও মুয়াবিয়া উভয়কেই অবৈধ নিরঙ্কুশ শাসক বলে ঘোষণা করে। খারেজিদের মতে, মুসলমানরা যদি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে তবে খলিফার কোনো প্রয়োজন হবে না।

