• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলাম ও ব্যক্তিজীবন
ইসলাম ও ব্যক্তিজীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব আরাফাত একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি নিয়মিত সালাতসহ ইসলামের অন্যান্য বিধানাবলি পালন করে থাকেন। কিন্তু ঘুষ নেওয়া ছাড়া তিনি অফিসের ফাইল সই করেন না। স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেব বিষয়টি জানার পর মন্তব্য করলেন "ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো বৈধ উপার্জন।"

ইমাম সাহেবের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

'ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো বৈধ উপার্জন'- ইমাম সাহেবের এ মন্তব্য যথার্থ।

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন কেবল তাঁর ইবাদতের জন্য। আর হালাল উপার্জন ছাড়া কোনো ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান পূর্বশর্ত হলো হালাল বা বৈধ উপার্জন। হারাম খাদ্য খেয়ে ইবাদত করলে তা আল্লাহর কাছে কবুল হয় না।

রাসুল (স) বলেন, "মানুষ দীর্ঘপথ অতিক্রম করে (কাবায় আসে দোয়া কবুলের আশায়) অবিন্যস্ত চুলে ধূলি ধূসরিত অবস্থায় আকাশের দিকে দু'হাত তুলে ধরে বার বার বলতে থাকে, হে আমার প্রতিপালক! হে আমার রব। অথচ তার খাবার হারাম, তার পানীয় হারাম, হারাম তার পোশাক, এমনকি সে লালিত-পালিত হয়েছে হারামভাবে। এমন ব্যস্তির দোয়া কীভাবে কবুল হবে?" অন্যত্র তিনি বলেন, "যে গোশত হারাম জীবিকা দ্বারা গঠিত তা বেহেশতে প্রবেশ করবে না।”হারাম উপার্জন ইসলামি বিধানের পরিপন্থি। তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।

উদ্দীপকের জনাব আরাফাত নিয়মিত সালাতসহ ইসলামের অন্যান্য বিধান পালন করলেও তিনি ঘুষের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন। অর্থাৎ তিনি হারাম উপার্জন দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ কারণে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। তাই ইমাম সাহেব মন্তব্য করেছেন, "ইবাদতের পূর্বশর্ত হলো বৈধ উপার্জন।"
ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করতে হলে হালাল উপার্জন দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। অন্যথায় আমাদের ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। সুতরাং বলা যায়, ইমাম সাহেবের মন্তব্যটি যথার্থ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()