- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- ফুলের বিবাহ (গদ্য)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
এখন নিরুপমার বিবাহের প্রস্তাব চলিতেছে। তাহার পিতা রামসুন্দর মিত্র অনেক খোঁজ করেন কিন্তু পাত্র কিছুতেই মনের মতোন হয় না। অবশেষে মস্ত এক রায়বাহাদুরের ঘরের একমাত্র ছেলেকে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছেন। উক্ত রায়বাহাদুরের পৈতৃক বিষয়-আশয় যদিও অনেক হ্রাস হইয়া আসিয়াছে কিন্তু বনেদি ঘর বটে। বরপক্ষ হইতে দশ হাজার টাকা পণ এবং বহুল দানসামগ্রী চাহিয়া বসিল। রামসুন্দর কিছুমাত্র বিবেচনা না করিয়া তাহাতেই সম্মত হইলেন; এমন পাত্র কোনোমতে হাতছাড়া করা যায় না।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘ফুলের বিবাহ’ কেন রচনা করেছেন?
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভবিষ্যৎ বর-কন্যাদের জন্য ‘ফুলের বিবাহ’ রচনা করেছেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বৈশাখ মাসের একদিন নসী বাবুর ফুলবাগানে বসে কল্পনায় নিমজ্জিত হন। কল্পনায় তিনি একটি মল্লিকা ফুলের বিবাহ দেখতে পান। সেই বিবাহের রীতিনীতি, প্রথা সকল কিছুই বাঙালি গার্হস্থ্য-জীবনের অনুরূপ। তিনি বিয়ের জন্য সুপাত্রের সন্ধান, ঘটকালি, পণপ্রথা, বিবাহযাত্রা, বিয়েবাড়ির অবস্থা, মেয়েলি আচার-অনুষ্ঠান সর্বোপরি বাঙালি সমাজের বিয়ের সমস্ত রীতিনীতি মল্লিকা ফুলের বিয়েকে কেন্দ্র করে হাস্যরসাত্মকভাবে তুলে ধরেছেন।
বিয়ে বাঙালি সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রথা। বাঙালি সমাজের এই রীতি সম্পর্কে সকলকে জানানোর জন্য ‘ভবিষ্যৎ বরকন্যাদিগের শিক্ষার্থে’ ‘ফুলের বিবাহ’ গল্পটি রচনা করেছেন।

