• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব আলী একজন মসজিদের ইমাম। তিনি বিগত শুক্রবারে জুমআর খুতবায় আখিরাতের দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বলেন- মানুষ তার অপরাধের জন্য শান্তি ভোগ করবে। ক্ষুধা ও পিপাসায় কাতর হলে রঞ্জ, পুঁজ ও কাটাযুক্ত বৃক্ষ খাবার হিসেবে দেয়া হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বলেন-মানুষ তার ভালো কর্মের জন্য সুশীতলে ছায়াতলে অবস্থান করবে। মনে যা চাইবে তাই সে সেখানে ভোগ করবে।

জনাব আলী সাহেবের বক্তব্যের ১ম বিষয়টি সম্পর্কে যে ইঙ্গিত রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

জনাব আলী সাহেবের বক্তব্যের ১ম বিষয়টিতে আখিরাতের অন্যতম স্তর জাহান্নামের ইঙ্গিত রয়েছে।

জাহান্নাম হলো শাস্তির স্থান। পরকালে মুমিনগণের জন্য যেমন জান্নাতের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনি পাপীদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম, যা জনাব আলী সাহেবের ইঙ্গিতকৃত বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে জনাব আলী একজন মসজিদের ইমাম। তিনি জুমআর খুতবায় আখিরাতের দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বলেন, মানুষ তার অপরাধের জন্য শাস্তি ভোগ করবে। ক্ষুধা ও পিপাসায় 'কাতর হলে রক্ত, পুঁজ ও কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ খাবার হিসেবে দেয়া হবে। তার বক্তব্যে আখিরাতের একটি স্তর জাহান্নামের চিত্র ফুটে উঠেছে। কারণ জাহান্নাম চিরশান্তির স্থান। এটি বিষাক্ত সাপ, বিচ্ছুর আবাসস্থল। সেখানকার খাদ্য হলো বড় বড় কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ। উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ হবে জাহান্নামিদের পানীয়। মোটকথা জাহান্নাম অতি যন্ত্রণাদায়ক স্থান। পাপীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালা ৭টি দোযখ তৈরি করে রেখেছেন। তাই বলা
যায়, জনাব আলী সাহেবের বক্তব্যে জাহান্নামের ইঙ্গিত রয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()