- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- প্রত্যুপকার (গদ্য)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
গ্রামের প্রভাবশালী চেয়ারম্যানের চাকর রফিক। বন্যাকবলিত, মানুষদের সাহায্যের জন্য ত্রাণসামগ্রী এলে চেয়ারম্যান সেগুলো মজুদ করে রাখেন। এ বিষয়টি রফিক জানার পরে গ্রামের মানুষদের সব বলে দিতে চায়। তখন চেয়ারম্যান রফিককে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তারপরও রফিক সত্য প্রকাশে বিরত হয় না। সে ভাবে, প্রাণ গেলেও জনগণের অধিকার আমি ক্ষুণ্ণ হতে দেব না। সত্যের পথ থেকে আমি বিচলিত হব না। তারপর সে গ্রামবাসীকে সব বলে দেয় এবং সবাইকে নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ।
উদ্দীপকের রফিকের সঙ্গে আলী ইবনে আব্বাসের সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা কর ।
সত্য প্রকাশের দিক থেকে রফিকের সঙ্গে আলী ইবনে আব্বাসের সাদৃশ্য রয়েছে।
সত্যের শির সদা উন্নত। যারা মিথ্যার সঙ্গে আপস না করে সত্য প্রকাশ করে তারাই প্রকৃত ব্যক্তিত্ববান। এ ধরনের মানুষ সত্য প্রকাশের জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি পর্যন্ত নেয় ।
‘প্রত্যুপকার' সকৃতজ্ঞ প্রতি-উপকারের আখ্যান। এ রচনায় দেখা যায়, আলী ইবনে আব্বাসের কাছে খলিফা মামুন এক ব্যক্তিকে জিম্মি করে রাখেন। বন্দি লোকটি হলো সেই ব্যক্তি যিনি আলী ইবনে আব্বাসের প্রাণরক্ষা করেছিলেন। ঘটনাক্রমে আলী ইবনে আব্বাস জানতে পারেন বন্দি লোকটির কোনো দোষ নেই। তিনি অন্য কারও হিংসার শিকার। তখন আলী ইবনে আব্বাস নিজের বিপদ হতে পারে জেনেও খলিফা মামুনের কাছে ওই বন্দি সম্পর্কিত সব সত্য প্রকাশ করেন। এদিকে উদ্দীপকে রফিকের মধ্যেও একই চরিত্রের প্রকাশ দেখা যায়। চেয়ারম্যানের রোষানলে পড়বে জেনেও সে জনগণের অধিকারের পক্ষে থাকে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও সে চেয়ারম্যানের কুকীর্তির কথা প্রকাশে তৎপর হয়। মূলত সত্য প্রকাশের এই দিক থেকে আলী ইবনে আব্বাস ও উদ্দীপকের রফিক সাদৃশ্যপূর্ণ ।

