- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মুরতাজা বিশ্বাস করেন যে, পৃথিবীর সকল মানুষ ইহকালীন কর্মের জন্য একদিন সৃষ্টিকর্তার নিকট জবাবদিহিতার সম্মুখীন হবেন। হিসাব-নিকাশ শেষে পুণ্যবানদের পুরস্কারস্বরূপ দেওয়া হবে এক আরামদায়ক স্থান ও পাপীদের দেওয়া হবে চরম শাস্তির স্থান। সে জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। অন্যদিকে কালিম মিয়ার ধারণা কিয়ামত পর্যন্ত যেহেতু পৃথিবীতে মানুষের আগমনের ধারা অব্যাহত থাকবে, সেহেতু তাদের সৎপথ দেখানোর জন্য আল্লাহ নবি-রাসুলও পাঠাবেন। তিনি মনে করেন, নবুয়তের ধারা এখনও বলবৎ রয়েছে।
কালিম মিয়ার ধারণায় ইসলামের কোন বিষয়টি অবিশ্বাস করা হয়? বিষয়টির ব্যাখ্যা দাও।
কালিম মিয়ার ধারণায় খতমে নবুয়তকে অবিশ্বাস করা হয়েছে।
খতমে নবুয়ত হলো নবুয়তের পরিসমাপ্তির ঘোষণা। হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বশেষ নবি। তাঁর মাধ্যমে দীনের পূর্ণতা ঘোষিত এবং নবুয়তের ধারা সমাপ্ত হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাঁকে খাতামুন নাবিয়্যিন বলে অভিহিতনের করেছেন। কিন্তু কালিম মিয়ার ধারণায় এটি অস্বীকার করা হয়েছে।
কালিম মিয়ার ধারণা, কিয়ামত পর্যন্ত যেহেতু মানুষের আগমন ঘটবে, সেহেতু তাদেরকে সৎপথ প্রদর্শনের জন্য নবি-রাসুলও আসবেন। আর এ ধারণা খতমে নবুয়তের পরিপন্থি। কারণ আমাদের প্রিয় নবি (স.) হলেন খাতামুন নাবিয়্যিন। তাঁর পরে আজ পর্যন্ত কোনো নবি আসেননি এবং কিয়ামত পর্যন্ত আসবেনও না। যারা তাঁর পরবতীতে নবুয়তের দাবি করেছে তারা সবাই ভণ্ড ও মিথ্যাবাদী। মহানবি (স.) নিজেই বলেছেন, "আমিই শেষ নবি। আমার পরে আর কোনো নবি নেই।" (সহিহ মুসলিম) সুতরাং কালিম মিয়ার ধারণাটি খতমে নবুয়তের পরিপন্থিস্থ।

